সিলেটে ছুরিকাঘাতে ছাত্রলীগকর্মী খুন, সশস্ত্র মহড়া, গাড়ি ভাঙচুর
প্রকাশিত হয়েছে : ২৬ অক্টোবর ২০১৮
সিলেট প্রতিনিধি: সিলেটের উপশহরে প্রতিপক্ষ গ্রুপের ছুরিকাঘাতে হোসাইন আল জাহিদ (১৬) নামে এক ছাত্রলীগকর্মী খুন হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নগরীর উপশহরের সিলেট সরকারি ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের (সরকারি তিব্বিয়া কলেজ) সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত হোসাইন আল জাহিদ উপশহরের তেররতনের আবুল কালামের ছেলে এবং বেসরকারি সীমান্তিক স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সিনিয়র-জুনিয়র নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে ছাত্রলীগ নেতা জাকারিয়া মাহমুদ গ্রুপের হাতে নিহত হন জাহিদ। নিহত জাহিদ ছাত্রলীগের উপশহরের সুমন গ্রুপের কর্মী। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সরকারি ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সামনে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে থাকা জাহিদের ওপর হামলা চালায় জাকারিয়া মাহমুদ গ্রুপের কর্মীরা। এ সময় হামলাকারীরা জাহিদকে একাধিক ছুরিকাঘাত করে। এ ঘটনায় জাহিদের সঙ্গে থাকা আরও ৩-৪ জন ছাত্রলীগকর্মী ছুরিকাঘাতে আহত হন। রক্তাক্ত অবস্থায় তাদের সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জাহিদকে মৃত ঘোষণা করেন।
সিলেট মহানগর পুলিশের শাহপরান থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আখতার হোসেন বলেন, ‘খুনের সাথে জড়িতদের গ্রেফতারে মাঠে নেমেছে পুলিশ। খুনিদের চিহ্নিত করে দ্রুত গ্রেফতার করতে পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার একাধিক দল মাঠে রয়েছে।
এদিকে খুনের ঘটনায় নগরীর উপশহরের বি ব্লকের বায়তুল মামুর জামে মসজিদের সামনে সশস্ত্র মহড়া দিয়ে গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদশর্ন করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে তেররতন এলাকা থেকে ৩০-৪০ জন যুবক হাতে দা, পাইপ ও রড নিয়ে মহড়া দিয়ে উপশহর বি ব্লকের দিকে আসে। যুবকরা বায়তুল মামুর জামে মসজিদের সামনে ৪-৫টি সিএনজি অটোরিকশা, প্রাইভেটকার ও হায়েস ভাঙচুর করে।
পরে তারা উপশহর পয়েন্টের দিকে এগোতে থাকে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদেরকে ধাওয়া দিলে তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। বর্তমানে ঘটনাস্থলে র্যাব ও পুলিশের সদস্যরা অবস্থান করছেন।

