নীতির সাংবাদিকতায় সব পক্ষকে খুশি করার সুযোগ নেই —কানাইঘাট ওয়েলফেয়ারের সংবর্ধনায় সাংবাদিক মুহাম্মদ জুবায়ের
প্রকাশিত হয়েছে : ১৩ জুলাই ২০১৮
লন্ডন, ১৩ জুলাই: কানাইঘাট ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকে’র উদ্যোগে সম্প্রতি ঈদ পুনর্মিলনী ও কানাইঘাটের কৃতী সন্তান লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের জেনারেল সেক্রেটারি মুহাম্মদ জুবায়ের বৃটিশ বাংলাদেশি পাওয়ার হান্ড্রেড তথা শত প্রভাবশালীর তালিকায় অন্তর্ভূক্ত হওয়ায় সংবর্ধণা প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া এলাকার অস্বচ্ছল ও মেধাবী স্টুডেন্টদের মধ্যে বৃত্তি বিতরণ ও অন্যান্য সেবা কার্যক্রমের উপর একটি ডকুমেন্টারি তুলে ধরা হয়েছে।
ট্রাস্ট চেয়ার প্রফেসর আবদুল মালিকের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি শামীম আহমদের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ট্রাস্টের উপদেষ্টা, এমসি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সাবেক ভিপি এনএইচএস কর্মকর্তা খসরুজ্জামান খসরু, ব্যবসায়ী আনিসুল হক, ব্যবসায়ী কায়সার চৌধুরী, ম্যাথমেটিশিয়ান সোয়েবুর রহমান, ব্যাংকার নুরুল আলম, ভাইস প্রেসিডেন্ট আবুল মনসুর চৌধুরী, মোঃ আতাউর রহমান, আবুল করিম বাহার, ট্রেজারার বদরুল ইসলাম, জয়েন্ট সেক্রেটারি ফারুক চৌধুরী, মাসুক আহমদ, রুহুল আমিন, হারিস আহমদ, হোম অফিস কর্মকর্তা মুহাম্মদ জাকারিয়া, জামাল উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম চৌধুরী, মারুফ আহমদ, সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক লেখক ইকবাল আহমদ চৌধুরী, প্রচার সম্পাদক তানভির খান, বিশিষ্ট মুরব্বি হাসান আহমদ, মোক্তার আহমদ, নাসির আহমদ, আব্দুল্লাহ আল হারুন চৌধুরী, মোহাম্মদ আব্দুস সালাম, সুলেমান রশীদ চৌধুরী, আমিনুর রহমান রুবেল, তোফায়েল চৌধুরী লিজু প্রমুখ। অনুষ্ঠানে ঈদের প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আবির মালিক ও কবিতা আবৃত্তি করেন মনসুর মালিক।
অনুষ্ঠানে প্রফেসর আবদুল মালিক স্বাগত বক্তব্যে উপস্থিত সকলকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, আমরা ইউকেতে বসবাসকারী এক সাথে এলাকার জন্য কাজ করতে চাই এবং এ দেশে বসবাসকারী সফল মানুষদের উপস্থাপন করে নতুন প্রজন্মকে উৎসাহিত করতে চাই।
ভিপি খসরুজ্জামান বলেন, আমাদের কাছে কানাইঘাটই প্রধান। এলাকার কল্যাণে কাজ করাই আমাদের উদ্দেশ্য। তিনি সংবর্ধিত অতিথি মুহাম্মদ জুবায়েরের বেশ কিছু টিভি রিপোর্ট এবং সমাজে এর প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন।
লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাব সেক্রেটারি মুহাম্মদ জুবায়ের বলেন, আমি এই সংগঠনের জন্ম লগ্ন থেকে জড়িত। আমি ব্যক্তিগতভাবে সংবর্ধনায় বিশ্বাসী নই। তারপরও এলাকাবাসীর দেয়া এই সম্মানকে আমি শ্রদ্ধা জানাই। তিনি বলেন, সৎ ও কল্যাণকর ভূমিকা রাখার জন্যই সাংবাদিকতা। নানা বাস্তবতা ও চ্যালেঞ্জ এর মধ্যে কমিটম্যান্ট নিয়ে কাজ করা সহজ বিষয় নয়। আর নীতিবান সাংবাদিকতায় সব পক্ষকে খুশি করার সুযোগ নেই, এ কারণে সম্মান-স্বীকৃতির আশা নিয়ে এই পেশায় সক্রিয় থাকা যায়না। তারপরও নিজ এলাকার সম্মান মানে বড় পাওনা, যা আমি দোয়া হিসেবেই নিচ্ছি। তিনি সংগঠনের সার্বিক কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং সবধরনের সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস প্রদান করেন।
সভায় বক্তারা সংগঠনের কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন এবং অতীতের ন্যায় আগামীতেও ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করতে কমিটির প্রতি আহ্বান জানান। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

