বেগম খালেদা জিয়া বুধবারে বাংলাদেশে যাচ্ছেন: যুক্তরাজ্য বিএনপি
প্রকাশিত হয়েছে : ১৭ অক্টোবর ২০১৭
বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া আজ মঙ্গলবার রাতে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে এমিরেটসের একটি বিমানে করে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন। আগামীকাল ১৮ অক্টোবর বুধবার বিকেলে তিনি বাংলাদেশ পৌঁছবেন। গতকাল ১৬ অক্টোবর সোমবার যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালিকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এম কয়ছর আহমদের পরিচালনায় যুক্তরাজ্য বিএনপি পূর্ব লন্ডনে দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালিক ও সাধারণ সম্পাদক কয়ছর এম আহমদ বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া চিকিৎসা শেষে বাংলাদেশে ফেরত যাওয়া নিয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। নেতৃবৃন্দ জানান, বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার জটিল চক্ষু চিকিৎসার কারণে দীর্ঘ সময় লেগেছে। চিকিৎসা শেষে বিশ্রামের পর যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশী কমিউনিটি, সাংবাদিক ও দলের নেতাকর্মীদের সাথে বহু প্রত্যাশিত সৌজন্য সাক্ষাৎ ও সভা করার পরিকল্পনা ছিলো। কিন্তু দেশের বর্তমান সার্বিক পরিস্থিতিতে দ্রুত দেশে ফেরার কারণে সময় স্বল্পতার জন্য তা সম্ভবপর হয়ে ওঠেনি। এ জন্যে দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং দেশে সুস্থভাবে পৌঁছানোর জন্য দোয়া কামনা করেছেন ।
সাংবাদিকদের প্রশ্নোত্তরকালে যুক্তরাজ্য বিএনপির নেতৃবৃন্দ জানান, খালেদা জিয়া ষড়যন্ত্রে বিশ্বাস করেন না। তিনি বাংলাদেশের মানুষের ভালবাসায় সিক্ত হয়ে আগামীতে সরকার গঠন করবেন। অতীতে চরম প্রতিকূল অবস্থায়ও তিনি দেশ ছেড়ে যান নাই । আর কখনো দেশ ছাড়বেনও না। কারণ দেশের বাহিরে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কোনো ঠিকানা নেই। সুতরাং দেশ ছাড়ার গুজব যারা ছড়িয়েছেন আগামী বুধবারে বাংলাদেশ পৌঁছার মাধ্যমে তা পরিষ্কার হয়ে যাবে। তারা আরও বলেন, আপসহীন নেত্রী মৃত্যুকে পরোয়া করেন না, সেখানে গ্রেফতারি পরোয়ানা তো কিছুই না। তাছাড়া, প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহাকে অসুস্থ বানিয়ে বিচারকার্য থেকে সরিয়ে রাখাসহ বিভিন্ন কারণে দেশে গুরুতর অস্থিরতা চলছে। দেশের এমন ক্রান্তিকালে খালেদা জিয়ার দ্রুত দেশে ফেরা উচিত বলে মনে করেন নেতৃবৃন্দরা।
যুক্তরাজ্য বিএনপির নেতৃবৃন্দ আরেকটি বিষয় নিশ্চিত করেছেন, বাংলাদেশে তাদের নেতাকর্মীরা ব্যাপকহারে জমায়েত হয়ে বিমানবন্দরে খালেদা জিয়াকে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালিক জানান, বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানাতে আসা নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা, হামলা বা ধরপাকড় চালালে ওই দিনই সরকারের পতন অনিবার্য হয়ে উঠবে।
সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাজ্য বিএনপি নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সিনিয়ির সহ সভাপতি আব্দুল হামিদ চৌধুরী, সহ সভাপতি আবুল কালাম, উপদেষ্টা সৈয়দ মামনুন মোরশেদ, সহ সভাপতি লুতফুর রহমান, মোঃ গোলাম রাব্বানী , গোলাম রাব্বানী সোহেল, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নসরুল্লাহ খান জুনায়েদ, যুগ্ম সম্পাদক সহিদুল ইসলাম মামুন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ খান, কামাল উদ্দিন, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক নাসিম আহমেদ চৌধুরী, সহ সাধারণ সম্পাদক সামছুর রহমান মাহতাব, সাংগঠনিক সম্পাদক শামিম আহমেদ, খসরুজ্জামান খসরু, যুক্তরাজ্য বিএনপির সিনিয়র সদস্য এডভোকেট তাহির রায়হান চৌধুরী পাভেল, মেসবাউজ্জামান সোহেল, লন্ডন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবেদ রাজা, দফতর সম্পাদক নাজমুল হাসান জাহিদ, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক আবু নাসের, সহ দফতর সম্পাদক সেলিম আহমেদ, সদস্য হাবিবুর রহমান, শিশু মিয়া, ইস্ট লন্ডন বিএনপির সভাপতি ফখরুল ইসলাম বাদল, নিউহাম বিএনপির সভাপতি মোস্তাক আহমেদ, মিডিলসেক্স বিএনপির আহ্বায়ক বশির মিয়া, লন্ডন নর্থ ওয়েস্ট বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুস শহীদ, সেন্ট্রাল লন্ডন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জুয়েল আহমেদ, লন্ডন মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ চৌধুরী, বিএনপি নেতা মাওলানা শামিম আহমেদ, শেখ ইস্তাব উদ্দিন আহমেদ, লন্ডন মহানগর বিএনপির সহ সাধারণ সম্পাদক তুহিন মোল্লা, প্রচার সম্পাদক মইনুল হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি নাসির আহমেদ শাহিন, সিনিয়র সহসভাপতি মিসবাহ বি এস চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন, জাসাসের সভাপতি এমাদুর রহমান এমাদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি ডালিয়া লাকুরিয়া, সাদেক আহমেদ, যুবদল নেতা আফজাল হোসেন, আব্দুল হামিদ খান সুমেদ, সাবেক ছাত্রদল নেতা মোঃ শফিউল আলম মুরাদ, আরিফুল হক, মাহবুবুর রহমান, ইমতিয়াজ এনাম তানিম প্রমূখ। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

