ইস্ট লন্ডন মসজিদের ট্রাস্টি বোর্ডের নির্বাচন অনুষ্ঠিত
প্রকাশিত হয়েছে : ১২ অক্টোবর ২০১৭
ইস্ট লন্ডন মসজিদ ও লন্ডন মুসলিম সেন্টারের ৫৮তম সাধারণ সভা ও ট্রাস্টি বোর্ডের দ্বিবার্ষিক (২০১৭-২০১৯) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে চেয়ারম্যান পদে পুনঃনির্বাচিত হয়েছেন মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান হয়েছেন মুহাম্মদ সিদ্দিক, সেক্রেটারি নির্বাচিত হয়েছেন আইয়ূব খান এবং ট্রেজারার নির্বাচিত হয়েছেন মুহাম্মদ আব্দুল মালিক। গত ২৩ সেপ্টেম্বর শনিবার দুপুরে মারিয়াম সেন্টারে উক্ত সাধারণ সভা ও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। মসজিদের ট্রাস্টিবৃন্দ গোপন ব্যালটের মাধ্যমে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। নির্বাচন পরিচালনা করেন ফিন্সবারী পার্ক জামে মসজিদের ডাইরেক্টর মোহাম্মদ কজবার ও ড. জামিল শরীফ। নির্বাচিত ও কো-অপ্টেড অন্যান্য ট্রাস্টিবৃন্দ হচ্ছেন সর্বজনাব ড. মুহাম্মদ আব্দুল বারী, শাফিউর রহমান, মোহাম্মদ আব্দুর রহিম কামালী, সিরাজুল ইসলাম, আব্দুল হাই মুর্শেদ, রাহেলা চৌধুরী, সিরাজুল ইসলাম হীরা, মাহেরা রুবি, বাকাউল্লাহ খান, সাঈদা আঞ্জুমারা বেগম ও আমান আলী।
সাধারণ সভায় ইস্ট লন্ডন মসজিদ ট্রাস্টের গঠণতন্ত্র অনুযায়ী সদস্যদের ভোটে ১০ সদস্যবিশিষ্ট ট্রাস্টি বোর্ড নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে নির্বাচিত ট্রাস্টি বোর্ডের প্রথম সভায় সর্বসম্মতিক্রমে চেয়ার, ভাইস চেয়ার, সেক্রেটারি ও ট্রেজারার নির্বাচিত হন। এছাড়াও, ট্রাস্টি বোর্ড সাধারণ সদস্যদের মধ্য থেকে আরও ৫ জন ট্রাস্টি অ্যাপোয়েন্ট করে থাকে। সবমিলিয়ে নতুন ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য সংখ্যা ১৫ জন। উল্লেখ্য, ইউরোপের অন্যতম বৃহত্তম এই ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে প্রায় ৩৬টি প্রজেক্ট চালু রয়েছে। পুরুষ ও মহিলাদের পৃথক নামাজের সুব্যবস্থার পাশাপাশি রয়েছে, ইভনিং মাদ্রাসা, প্রাইমারী স্কুল, সেকেন্ডারি স্কুল, বিজনেস সেন্টার, ফিটনেস সেন্টার, ফ্রি লিগ্যাল সার্ভিস, ম্যারেজ ব্যুারোসহ বহুবিধ সার্ভিস। এক প্রতিক্রিয়ায় নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দ মসজিদকে আরও অনেকদূর এগিয়ে নেয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান বলেন, মসজিদকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে আমরা একনিষ্ঠ খাদেম হিসেবে কাজ করছি। আমাদের মূল লক্ষ্য ইস্ট লন্ডন মসজিদকে বিশ্ববাসীর কাছে একটি অনুকরনীয় মসজিদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা। তিনি বলেন, বৃটেনের মূলধারার সাথে সামঞ্জস্য রেখে মসজিদকে এগিয়ে নিয়ে যেতে আমরা বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। সম্প্রতি আমরা নজমুল হোসাইনকে ইস্ট লন্ডন মসজিদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছি, যিনি লোকাল গভর্ণমেন্টসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উচ্চ ও গুরুত্বপুর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করছেন। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা মসজিদকে কাঙ্খিত লক্ষ্যে নিয়ে যেতে সক্ষম হবে। সেক্রেটারি আইয়ূব খান বলেন, গত দুই মেয়াদে আমরা ৯ মিলিয়ন পাউন্ড ব্যয়ে মারিয়াম সেন্টারের কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করার পাশাপাশি মসজিদ সংলগ্ন সিনাগগ ভবনটিও ক্রয় করতে সক্ষম হই। আল-মিজান ও লন্ডন ইস্ট একাডেমির শিক্ষার মান কাঙ্খিত পর্যায়ে পৌঁছাতে আমাদের নিরলস প্রচেষ্টা অব্যাহত ছিলো। সর্বোপরি মসজিদের প্রতিটি ক্ষেত্রে সর্বোত্তম সেবা নিশ্চিত করতে আমরা ছিলাম দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। আগামী বছরগুলোতেও মসজিদকে কািিখত লক্ষ্যে নিয়ে যেতে আমাদের সর্বাত“ক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

