আরাকানে গণহত্যার প্রতিবাদে লন্ডনের আলতাব আলী পার্কে প্রতিবাদ সভা
প্রকাশিত হয়েছে : ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭
মায়ানমারের আরাকানে রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতন ও গণহত্যা বন্ধের দাবিতে বৃটেনের সর্বদলীয় উলামা সংগঠন বাংলাদেশী মুসলিমস ইউকে’র উদ্যোগে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১৫ সেপ্টেম্বর শুক্রবার লন্ডনের আলতাব আলী পার্কে বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন ও বাংলাদেশী মুসলিমস ইউকের কিয়াদাতের সদস্য শায়খ মাওলানা জমশেদ আলীর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মাওলানা আবদুল হাই খানের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন ইস্ট লন্ডন মসজিদের খতীব শায়খ আবদুল কাইয়ূম, খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক মাওলানা আবদুল কাদির সালেহ, সিনিয়র সাংবাদিক ও কমিউনিটি নেতা কেএম আবু তাহের চৌধুরী, কোয়ালিশন ফর হিউম্যান রাইটস এন্ড ডেমোক্রেসী’র চেয়ারম্যান ড. হাসনাত হোসাইন এমবিই, জিএসসির সাবেক সভাপতি এম আলাউদ্দিন, বাংলাদেশী মুসলিমস ইউকের মজলিসে কিয়াদতের সদস্য মাওলানা একে এম সিরাজুল ইসলাম সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার মুজিবুর রহমান, কাউন্সিলর অহিদ আহমদ, রাইট কনসার্ন এর সেক্রেটারি শফিকুর রহমান খান, ইসলামিক টিচার্স এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি মাওলানা সাদিকুর রহমান, আল-কুরআন রিচার্স ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মাওলানা হাসান নূরী চৌধুরী, হেফাজতে ইসলাম ইউরোপের সেক্রেটারী মাওলানা শাহ মিজানুল হক, জমিয়তুল উলামা ইউকের সেক্রেটারী মাওলানা সৈয়দ তামীম আহমদ, ইকরা ইনস্টিটিউটের পরিচালক মাওলানা এফকেএম শাহজাহাজান, সেইভ বাংলাদেশ নেতা মাওলানা জামাল আহমদ, সৈয়দপুর শামছিয়া সমিতির সভাপতি আহমদ কুতুব, মাওলানা নুরুল ইসলাম, কমিউনিটি নেতা নূর বক্স, বাংলাদেশ সলিডারিটি ফ্রন্ট নেতা মাওলানা আবুল হাসনাত চৌধুরী, বাংলাদেশী মুসলিমস ইউকের নেতা মাওলানা তায়ীদুল ইসলাম, হাফিজ হোসাইন আহমদ, মাওলানা আনিসুর রহমান প্রমূখ।
সভায় বক্তারা মায়ানমারের সাথে সকল প্রকার সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও রাষ্ট্র সমূহের প্রতি আহবান জানান। বক্তারা জাতিসংঘের সিকিউরিটি কাউন্সিলের সভায় মায়ানমারের বিরুদ্ধে গৃহীত নিন্দা প্রস্তাবকে স্বাগত জানান, কিন্তু কোন কার্যকর পদক্ষেপ না নেয়া যেমন- অবরোধ আরোপ, পর্যবেক্ষণ ও তদন্ত দল পাঠানো, আরাকানে সেইফ জোন ঘোষণা প্রভৃতির মতো কোন সিদ্ধান্ত না নেয়ার নিন্দা জানান। সভায় রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দেয়ায় বাংলাদেশ সরকারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো হয় এবং রিফিউজিদের নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য সেবা এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সাহায্য ও ত্রাণ কার্যক্রমের সুযোগ করে দেয়া ও স্থানীয় রাজনৈতিক ও মোনাফালোভী দুষ্টচক্রের তৎপরতাকে নিয়ন্ত্রণের জন্য রিফিউজি ক্যাম্প ব্যবস্থাপনাকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর হাতে ছেড়ে দেয়ার আহবান জানানো হয়। সভায় বক্তারা রোহিঙ্গা মুসলমানদের আরাকানে পূর্ণ নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকারসহ অবিলম্বে ফিরিয়ে নেয়া ও ক্ষতি পূরণসহ তারে পূর্ণ পুনর্বাসনের জন্য মায়ানমারকে বাধ্য করতে জাতিসংঘের প্রতি আহবান জানান। সভায় রোহিঙ্গা সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হওয়া পর্যন্ত সারাবিশ্বে প্রতিবাদ অব্যাহত রাখবার জন্যে বিশ্বের মুসলমান ও সকল বিবেকবান মানুষের প্রতি আহবান জানোনো হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

