কিশোরীকে যৌন নিপীড়নের ভিডিও ভাইরাল : মাদ্রাসা শিক্ষক আটক
প্রকাশিত হয়েছে : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
সিলেট প্রতিনিধি:: সিলেটের কানাইঘাটে এক কিশোরীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদ্রাসার এক শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) শরিফ উদ্দিনকে বালাগঞ্জের তাজপুর থেকে আটক করা হয়।
এর আগে এক কিশোরীকে যৌন নিপীড়নের একটি ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই অভিযুক্ত শরিফ উদ্দিন শরিফ পলাতক ছিলেন। অবশেষে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শরিফ উদ্দিনের বাবার নাম মুহিবুর রহমান। তিনি বিবাহিত এবং দুই স্ত্রী ও দুই সন্তানের জনক। তিনি কানাইঘাটের একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করতেন।
পুলিশ জানায়, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে তাকে এক কিশোরীকে নিপীড়ন করতে দেখা যায়। ঘটনার পর থেকে পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং অভিযুক্তকে শনাক্ত করে। পরবর্তীতে অভিযান চালিয়ে বালাগঞ্জের তাজপুর থেকে অভিযুক্ত মৌলভী মো. শরিফ উদ্দিন শরিফকে আটক করা হয়। এই ঘটনায় তার কাছে থাকা মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২২ সালে এক মেয়ে শিশুর সাথে যৌন হয়রানির আপত্তিকর ভিডিও নিজের মোবাইল ধারণ করেন কানাইঘাটের মৌলভী শরিফ উদ্দিন। এটি সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার নন্দিগাও ইউনিয়নের মানাউরা উত্তরপাড়া জামে মসজিদের ঘটনা। অভিযুক্ত মৌলভী শরিফ উদ্দিন মানাউরা জামে মসজিদের ইমাম ছিলেন। ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর বৃহস্পতিবার রাতে শরিফ উদ্দিনের সিঙ্গারীপাড়ের বাড়িতে অভিযান চালায় কানাইঘাট থানা পুলিশ। কিন্তু তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। এরপর কানাইঘাট থানার ওসি আব্দুল আউয়াল ও বালাগাঞ্জ থানা পুলিশের সহযোগিতায় শরিফ উদ্দিনকে তাজপুর থেকে আটক করা হয়। বর্তমানে সে বালাগঞ্জ থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে বলে জানা গেছে।
কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল আউয়াল বলেন, এ ঘটনায় কোনো অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। ঘটনাস্থল যেহেতু গোয়াইনঘাট তাই সেই থানার পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

