যুক্তরাজ্যে ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই ইন দ্য ইউকের পিকনিক অনুষ্ঠিত
প্রকাশিত হয়েছে : ২০ আগস্ট ২০২৫
খালেদ মাসুদ রনি:: আনন্দ উচ্ছ্বাস ও হৈ-হুল্লোড়ের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হলো যুক্তরাজ্যে ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই ইন দ্য ইউকের স্মরণীয় পিকনিক-২০২৫। এতে অংশ নেন সংগঠনের সদস্য, তাদের পরিবার-পরিজন, উপদেষ্টা এবং সিনিয়র সদস্যরা। সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার কারণে পিকনিকটি রূপ নেয় এক মহাসফল সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মিলনমেলায়। গত শনিবার দুপুরে সৈকতে পৌঁছে আনন্দ উল্লাসে মেতে ওঠেন তাঁরা । দিনব্যাপী ভ্রমন ছিলো নানা আয়োজনে সাজানো।
পিকনিকের সূচনা হয় রেডব্রিজ টিউব স্টেশন থেকে। সকাল ৯টায় নিবন্ধন শেষে গ্রুপ ছবি তোলা হয়। এরপর লাক্সারি কোচ সকাল ১০টায় বগনার সমুদ্র সৈকতের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। পথিমধ্যে গান, কৌতুক ও আবৃত্তির মাধ্যমে বিনোদনের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন এরিনা, রিপা ও মিজান, আর সাউন্ড সিস্টেম ও সংগীতের ব্যবস্থা করেন মন্সুর পিয়াস।
সমুদ্র সৈকতে পৌঁছে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। মহিলাদের ব্লাইন্ডফোল্ড টিপ পরানো দৌড়, পুরুষদের বিন ব্যাগ রেস এবং র্যাফেল ড্র। বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন উপদেষ্টা ও সিনিয়র মেম্বাররা। এছাড়াও সকালের নাস্তা, স্ন্যাকস, দুপুরের খাবার এবং কেক কেটে পিকনিকের আনন্দ আরও বেড়ে যায়। পরিবহন ও খাবারের সমন্বয় করেন সৈয়দ হামিদ।
অনুষ্ঠান সফল করতে সিনিয়র মেম্বার ইসমাইল হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত পিকনিক টিম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যেখানে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এমকিউ হাসান সহায়তা করেন। এছাড়া ছয়টি কার্যকরী গ্রুপ পিকনিক পরিচালনায় বিশেষ ভূমিকা রাখে।
পিকনিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তিনজন সম্মানিত উপদেষ্টা-এস.বি. ফারুক (কমিউনিটি কর্মী ও জীবন্ত কিংবদন্তি), আবু হাসান (সাংবাদিক ও মুক্তিযোদ্ধা) এবং ব্যারিস্টার নাজির উদ্দিন চৌধুরী বাবর (প্রখ্যাত আইনজীবী)। সিনিয়র মেম্বারদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মারুফ চৌধুরী, আব্দুর রকিব, নিলুফার হাসান, সিরাজুল বাসিত কামরান চৌধুরী, রিপা রাকিব ও ব্যারিস্টার নাসের আলম।
অনুষ্ঠানটি আর্থিকভাবে সমর্থন করেন ব্যারিস্টার এমকিউ হাসানসহ অন্যান্য সদস্য। অংশগ্রহণকারীরা সমুদ্রস্নান ও ফটোশুটের মাধ্যমে দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখেন। বিকেল ৫:৩০ মিনিটে কোচ বগনার থেকে ফিরে আসার সঙ্গে সঙ্গে পিকনিকের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই ইন দ্য ইউকের এই পিকনিক কেবল একটি সামাজিক অনুষ্ঠানই নয়, এটি সম্প্রীতি, বন্ধুত্ব ও স্মৃতির উৎসব হিসেবেও প্রতীয়মান হয়েছে। আয়োজক, স্বেচ্ছাসেবক এবং সক্রিয় অংশগ্রহণকারীদের সহযোগিতায় অনুষ্ঠানটি হয়েছে এক বিরাট সফলতা।

