বার্মিংহামে দারুল কিরাতের গ্র্যাজুয়েশন ও অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান সম্পন্ন
প্রকাশিত হয়েছে : ২০ আগস্ট ২০২৫
বার্মিংহামের লজেলস উইলস্ট্রিট বাংলাদেশ ইসলামিক সেন্টার অ্যান্ড জামে মসজিদে দারুল কিরাত মজিদিয়া ফুলতলী ট্রাস্ট ইউকে অনুমোদিত শাখার সামারকালীন “ইনটেনসিভ কিরাত অ্যান্ড তাজবীদ কোর্স”-এর গ্র্যাজুয়েশন ও অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২০ আগস্ট) দুপুরে সেন্টারের প্রেসিডেন্ট হাজী হারুন মিয়ার সভাপতিত্বে এবং শাখার প্রধান মাওলানা মো. হুসাম উদ্দিন আল হুমায়দীর পরিচালনায় এই অনুষ্ঠান হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউকে পার্লামেন্টের সদস্য ব্যারিস্টার আইয়ুব খান এমপি বলেন, কুরআন শিক্ষার মাধ্যমেই সমাজের মুসলিম সন্তানদের ভবিষ্যৎ শান্তির হবে। শিক্ষা ছাড়া কোনো সমাজ উন্নতি লাভ করতে পারে না। বিশেষ করে মুসলিম সমাজের জন্য কুরআন শিক্ষা অপরিহার্য। তিনি আরও বলেন, এ মসজিদের মুসল্লিদের দোয়া ও সহযোগিতার ফলেই তিনি এমপি নির্বাচিত হয়েছেন, তাই ভবিষ্যতেও তিনি সকল সহযোগিতায় পাশে থাকবেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বার্মিংহাম দ্য ব্রিটিশ মুসলিম স্কুলের প্রিন্সিপাল মাওলানা এম এ কাদির আল হাসান বলেন, আল্লাহ তাআলা কুরআন তারতিলসহ ধীরস্থিরতার সঙ্গে তেলাওয়াত করার নির্দেশ দিয়েছেন। বিশুদ্ধ কুরআন শিক্ষা প্রদানের জন্য দারুল কিরাত মজিদিয়া ফুলতলী ট্রাস্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এর প্রতিষ্ঠাতা শামছুল উলামা ফুলতলী ছাহেব ক্বিবলাহ রহ. ছিলেন যুগশ্রেষ্ঠ ক্বারী ও আল্লাহর ওলী। তাঁর প্রতিষ্ঠিত এ ট্রাস্ট প্রতি বছর সামারকালীন ছুটিতে বিশুদ্ধ কুরআন শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে অগ্রণী ভূমিকা রাখছে। তিনি হাদিস উদ্ধৃত করে বলেন, “তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ওই ব্যক্তি, যে কুরআন শিক্ষা গ্রহণ করে এবং অন্যকে শিক্ষা দেয়।” তাই কুরআন শিক্ষা বিস্তারে সবার আরও উদ্যোগী হওয়া উচিত।
অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ইসলামিক সেন্টারের প্রেসিডেন্ট আলহাজ আজির উদ্দিন আবদাল। শুরুতে কুরআন তেলাওয়াত করেন সেন্টারের ছাত্রী আমিরা জান্নাত খান এবং নাশিদ পরিবেশন করেন ছাত্র মোহাম্মদ আশফাক উদ্দিন।
প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী বিভিন্ন স্তরের কোর্স সম্পন্ন করায় সনদ, পাগড়ি ও অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। এতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আনন্দঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন আনজুমানে আল ইসলাহ ইউকে মিডল্যান্ডস ডিভিশনের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাওলানা আব্দুল হক নুমানী, সেন্টারের সহকারী মাওলানা বদরুল হক খান, বাংলাদেশ মাল্টিপারপাস সেন্টারের চেয়ারম্যান মো. কামরুল হাসান (চুনু মিয়া), বিশিষ্ট কমিউনিটি নেতা ও বিশ্বনাথ এডুকেশন সোসাইটি ইউকের প্রেসিডেন্ট হাজী মফিজ খান, মোহাম্মদ এমদাদ হোসাইন, আবুল হোসাইন, বার্মিংহাম আল ইসলাহর সেক্রেটারি হাফিজ রুমেল আহমদ, হাফিজ সাইদুল হক, মাওলানা হাবিবুর রহমান, মাওলানা এহসানুল হক, ক্যাশিয়ার হাজী তেরা মিয়া, হাজী আব্দুর রকিব প্রমুখ।
শেষে বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

