সেরা শেফ বিজয়ী হলেন সেলিব্রেটি শেফ এহসানুল ইসলাম চৌধুরী শামীম
প্রকাশিত হয়েছে : ০৩ নভেম্বর ২০২২
সেলিব্রেটি শেফ এহসানুল চৌধুরী শামীম এবার নর্থাম্পটনের গন্ডি ছাড়িয়ে ব্রিটেনের সবচেয়ে মর্যাদাকর সংগঠন বাংলাদেশ ক্যাটারার্স এসোসিয়েশনের ইস্ট মিডল্যান্ডের সেরা শেফ নির্বাচিত হয়েছেন।
গত ৩১ অক্টোবর রবিবার লন্ডনের পাঁচ তারকা হোটেল পার্ক প্লাজার হলরুমে জমকালো স্টেইজে হাজারো দেশী বিদেশী অতিথির উপস্থিতিতে তাকে সেরা সেফ হিসেবে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। সম্মাননা তুলে দেন মাস্টার শেফ গ্রেগ ওয়ালেস।
এহসানুল চৌধুরী শামীম বর্তমানে আরামিনতাজের হেড শেফ হিসাবে কর্মরত আছেন। তবে তিনি গত দেড় দশক ধরে নর্থাম্পটন ও আশেপাশের বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট ও টেইকওয়েতে শেফ হিসাবে কর্মরত ছিলেন।
নর্থাম্পটন সাউথ আসনের এমপি এন্ড্রু লেওয়ার, মেয়র ডেনিস মেরেডিতসহ অনেক গন্যমান্য ব্যক্তি শামীমের হাতের রান্না খেয়ে প্রশংসা করেছেন। শামীম চ্যানেল এস ও বাংলাদেশ প্রতিদিন এ রিপোর্টার হিসাবে কাজ করেন। এর পাশাপাশি তিনি সমাজসেবামূলক নানা কার্যক্রমের সাথে যুক্ত আছেন। কোভিডকালীন সময়ে সাংবাদিকতার মাধ্যমে কমিউনিটিকে সহায়তা করার জন্য মেয়রের কাছ থেকে সম্মাননা পেয়েছেন তিনি। এছাড়া কমিউনিটিতে নানা ক্ষেত্রে অবদানের জন্য বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের পুরস্কারও পেয়েছেন শামীম।
এহসানুল চৌধুরী শামীম সেরা শেফ হওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, আমার দেড় দশকের শেফ হিসাবে একটাই প্রাপ্তি, সেটা হলো আমার কাস্টোমাররা খাবার খেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের ভালোবাসার প্রকাশ করে দিয়ে যান প্রসংশার মাধ্যমে। তবে বাংলাদেশ ক্যাটারার্স এসোসিয়েশনের এই পুরস্কার আলাদা গুরুত্ব বহন করে। শেফ হিসাবে এই প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি আমার কাজের প্রতি দায়িত্ববোধ বাড়িয়ে দিলো।
নিজের খাবারের গুণ সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, তিনি চেষ্টা করেন যখন যে রেস্টুরেন্টে কাজ করেন সেই এলাকার মানুষের খাবারের চাহিদা সম্পর্কে জেনে নেয়ার। ফুড হেভিট জেনে নিয়ে সেটার সাথে নিজের মেধার সমন্বয় ঘটিয়েই খাবারের পরিবেশন করেন তিনি। একই সাথে খাবারের শৈল্পিক উপস্থিতিও তার একটি আলাদা বৈশিষ্ট্য। তিনি কোনো আর্টিফিশিয়াল রং বা কিছু ব্যবহার করেন না। যা খাওয়া যায়, তাই দিয়েই তিনি খাবারের ডেকোরেশন করে থাকেন। এটাও কাস্টোমার খুব পছন্দ করে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

