বৃটিশ পার্লামেন্টে বিশিষ্টজনের অংশগ্রহণে ‘আরতা’র নমিনেশন লঞ্চিং অনুষ্ঠিত
প্রকাশিত হয়েছে : ১৩ জানুয়ারি ২০১৮
০ অনলাইনে নমিনেশন চলবে ১৪ মে পর্যন্ত
০ ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়ান পাবেন ৪০ হাজার পাউন্ড মূল্যের ট্রফি
০ নমিনেশন প্রদানকারী কাস্টমারদের জন্য ব্রাণ্ড-নিউ কার
লন্ডন, ১২ জানুয়ারি ২০১৮: এশিয়ান রেস্টুরেন্ট এন্ড টেকওয়ে অ্যাওয়ার্ডস- সংক্ষেপে ‘আরতা’র ন্যাশনাল নমিনেশন লঞ্চিং অনুষ্ঠিত হলো ১০ জানুয়ারী বুধবার। বৃটিশ পার্লামেন্টের হাউস অব লর্ডস-এর একটি হলে ব্যারোনেস পলা উদ্দিনের আমন্ত্রনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আরতা ফাউন্ডার ও শেফ অনলাইন পিএলসি-র সিইও এম এ মুনিম সালিক। বিবিসির নিউজ প্রেজেন্টার এবং আরতা এমবেসেডার সামান্তা সিমন্ড এর উপস্থাপনায় এতে বিশেষ বক্তা হিসেবে কয়েকজন এমপি অংশ নেন।
অনলাইনে পছন্দের রেস্টুরেন্টকে মনোনীত করার মাধ্যমে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সেলিব্রেটি বৃটিশ ক্রিকেট স্টার ও আরতা এমবেসেডার ডেভিড ম্যালকম। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ১০ জানুয়ারী থেকে ১৪ মে ২০১৮ পর্যন্ত অনালাইনে নোমিন্যাশন পাঠানো যাবে । চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে গ্র্যান্ড ফিনালে। ২৪শ ক্যাপাসিটি সম্পন্ন ইউরোপের অন্যতম বৃহৎ হোটেল ভ্যানু লন্ডন ওটু (০২) ইন্টার কন্টিন্যান্টালেই হবে এই চুড়ান্ত জমকালো আসর।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ‘আরতা’ নানা ব্যতিক্রমের কারনেই কারি ইন্ডাস্ট্রির অ্যাওয়ার্ডস কালচারে অবস্থান করে নেবে। ‘আরতা’ স্বচ্ছতা এবং কাস্টমারদের নোমিন্যাশন প্রক্রিয়ায় অগ্রাধিকার দেয়ার মাধ্যমে পুরো আয়োজনকে আলাদা মর্যাদায় নিতে চায়। তাই নোমিনেশন প্রক্রিয়া যেহেতু শুরু হয়েছে-আশা করা যায়-এতে রেস্টুরেন্ট মালিকরা বিশেষ আগ্রহ নিয়ে যুক্ত হবেন। অনুষ্ঠানে অলপার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপ অন কারীর চেয়ার কনজারভেটিভ পার্টির এমপি পল স্ক্যালি, ক্যামব্র্রিজ এমপি লুসি ফ্রিজার, লেবার এমপি রুশনারা আলী এবং ডঃ রুপা হক এমপি ‘আরতা’র প্রতি তাদের সমর্থন জানিয়ে বক্তব্য রাখেন।
এতে বৃটেনের বিভিন্ন প্রান্থ থেকে আসা রেস্টুরেটার্স, ইন্ডাস্ট্রি নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় ও রিজওনাল সাংবাদিক এবং বিশিষ্টজনের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে আরতা অ্যাওয়ার্ডস এর ফাউন্ডার এম এ মুনিম সালিক ভিডিও প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে নোমিনেশন প্রক্রিয়া উপস্থাপন করেন । তিনি বলেন, ১৫টি রিজিওনে সরাসরি আলাদা আলাদা অনুষ্ঠান করে রিজিওনাল ১০ জন সেরা ও ১জন রিজওনাল চ্যাম্পিয়ান বাছাই করা হবে। গ্র্যাণ্ড ফিনালের মাধ্যমে রিজিওনাল রেস্টুরেন্ট অব দ্য ইয়ার ঘোষণার পাশাপাশি প্রদান করা হবে একটি ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়ান অব দ্য চ্যাম্পিয়ানস অ্যাওয়ার্ড । স্বর্ণখচিত এই ট্রফির মূল্য হবে প্রায় ৪০ হাজার পাউণ্ড। থাকবে নিউকামার এবং একটি শেফ অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়াডর্স । নোমিন্যাশন প্রদানকারী রেস্টুরেন্ট কাস্টমারদের জন্য একটি ব্র্যান্ডনিউ কারসহ থাকবে আরো নানা পুরস্কার।
অ্যাওয়ার্ডস মার্কিং বা স্ক্রোরিং: অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ‘আরতা অ্যাওয়ার্ডে’ স্কোরিং-১০০ মার্কের মধ্যে ৩০ মার্ক নির্ভর করবে গুগল, ট্রিপ এডভাইজার এবং কাউন্সিলের ফুড হাইজিন রেইট-ইত্যাদি রিভিউ’র ওপর। কাস্টমার নোমিন্যাশনে থাকবে ৩০ মার্ক। যেখানে ফুড, সার্ভিস মান এবং ভ্যালু ফর মানির বিষয়টি গুরুত্ব পাবে । আর ৪০ মার্ক থাকবে কোকিং-এ। খাবারের ফ্লেবার, প্রেজেন্টেশন ও এরোমা ইত্যাদির দিকে বিশেষ নজর দেবেন বিচারকমন্ডলী।
বিশেষ বক্তারা যা বলেন: অনুষ্ঠানে ব্যারোনেস পলা উদ্দিন বলেন, আরতা একটি নতুন ভিশন নিয়ে, অ্যাওয়ার্ডস কালচারকে উচ্চমানে নিয়ে যাওয়ার আশা নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে । বৃটিশ পার্লামেন্টে ‘আরতা’র নোমিন্যাশন উদ্বোধনে যুক্ত থেকে আমি দারুন আনন্দিত।

পল স্ক্যালি এমপি বলেন, আমি আরতা’কে সমর্থন করছি কারণ এটি সামগ্রিকভাবে কারি ইন্ড্রাস্ট্রিকে সহযোগিতা করবে। নিয়মতান্ত্রিক জাজিং পলিসি ও কোকিং প্রতিযোগিতা ছাড়াও আরতা কারি-লাভার তথা কাস্টমারদের যুক্ত করছে। আশা করি কাস্টমাররাও সুযোগ নেবেন। পছন্দের রেস্টুরেন্টকে মনোনীত করবেন, নিজেরাও পুরস্কত হবেন।
রুশনারা আলী এমপি বলেন, কারি ইন্ড্রাস্ট্রি নানা সমস্যায় রয়েছে। তার পরও ‘আরতা’র মতো উদ্যোগগুলো সবাইকে উৎসাহিত করবে। আশাবাদী করবে। আমি আরতার সাফল্য কামনা করি।
রুপা হক এমপি বলেন, আমি রেস্টুরেটার্স পরিবারের সন্তান। তাই ‘আরতা’র আয়োজনে আনন্দিত ও আশাবাদী। এই নতুন আয়োজন নতুন করে চেতনা আনবে বলে আমি মনে করি। ‘বিবিসি’র নিউজ প্রেজেন্টার সামান্তা সিমন্ড বলেন, আমি আশা করি যারা কারি ভালোবাসেন তাদের বক্তব্যকে আরতা জোরালো করবে। তাই আমি বিশ্বাস করি-কাস্টমাররা তাদের পছন্দের রেস্টুরেন্টকে ভোট দিতে ভুলবেন না।
ডেভিড ম্যালকম বলেন, আমি আরতার সাথে যুক্ত থেকে আনন্দিত। সত্যি এটি কারি ইন্ড্রাস্ট্রির জন্য এক অনন্য উদ্যোগ।



