|
  • Media Packs
  • Our Team
  • Contact Us
logo

  • ইউকে
  • কমিউনিটি
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্বজুড়ে
  • সিলেট
  • মুখোমুখি
  • মুক্তমত
  • ইসলাম
  • সাহিত্য
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রিন্ট ভার্সন
  • English
  • আর্কাইভ
  • ইউকে
  • কমিউনিটি
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্বজুড়ে
  • সিলেট
  • মুখোমুখি
  • মুক্তমত
  • ইসলাম
  • সাহিত্য
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রিন্ট ভার্সন
  • English
  • আর্কাইভ
  1. প্রচ্ছদ
  2. ইউকে
  3. যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে প্রথম মুসলিম নারী হওয়ার স্বপ্ন ফাইরুজের

যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে প্রথম মুসলিম নারী হওয়ার স্বপ্ন ফাইরুজের


প্রকাশিত হয়েছে : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭

দেশ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে প্রথম কোনো মুসলিম নারী হিসেবে জায়গা করে নিতে চান ফাইরুজ সাদ। মিশিগানের ১১তম ডিস্ট্রিক্টে দু’বারে নির্বাচিত রিপাবলিকান দলের প্রতিনিধি, শ্বেতাঙ্গ ও পুরুষ রাজনীতিক ডেভ ট্রোট’কে হারিয়ে সেই আসনে নির্বাচিত হওয়ার টার্গেট নিয়েছেন ফাইরুজ। তিনি যদি এতে সফল হন তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে রচনা করবেন এক নতুন ইতিহাস। এ খবর দিয়েছে লন্ডনের অনলাইন দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট।

ফাইরুজের সাক্ষাতকার ভিত্তিক এক প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়েছে। উল্লেখ্য, ফাইরুজ সাদ লেবানন বংশোদ্ভূত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। তিনি বাস করেন মিশিগানের ডিয়ারবর্ন শহরে। তার পিতামাতা লেবানিজ। ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর যখন বিশ্ব বাণিজ্য সেন্টারে দুটি বিমান আঘাত করে তখন সবেমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনো শুরু করেছিলেন ফাইরুজ। তিনি এক অভিবাসী মুসলিম দম্পতির মেয়ে। ওই সময়ে বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্রে সন্ত্রাসী হামলার ফলে তিনি ব্যক্তিগতভাবে কোনো হয়রানি বা বৈষম্যের শিকার হন নি বলে জানিয়েছেন। ওই সময়ের ৩০ বছর আগে তার পিতামাতা লেবানন থেকে পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রে। সন্ত্রাসী হামলার পর ফাইরুজ কোনো হয়রানির শিকার না হলেও তার পিতামাতা ছিলেন উদ্বিগ্ন। ফাইরুজ বলেন, ওই দিনগুলোতে আমার পিতামাতা আমাকে বাইরে নিয়ে যেতেন আবার বাসায় আসার সময় তারা আমাকে নিয়ে আসতেন। এর কারণ একটিই। তখন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আরব ও মুসলিম বিরোধিতা চলছিল মারাত্মকভাবে। এ নিয়ে পিতামাতা ছিলেন উদ্বেগে। তখনই ফাইরুজ বুঝতে পারেন যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিম ও আরবদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

এ সময় তার পিতামাতা তাকে কয়েক সপ্তাহের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া বন্ধ করে রাখেন। তারপর যখন ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানে ফিরলেন তিনি জানতেন না সেখানে কি প্রত্যাশা করতে পারেন। জানতেন না তার জন্যঃ কি অপেক্ষা করছে সেখানে। তবে তার ডর্ম রুম ও আশপাশের যারা ছিলেন সবাই তাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ছিলেন। ফাইরুজ উঠে এসেছেন সেই ৯/১১ যুগ থেকে। বলেছেন, আমি বাস্তব অর্থেই বুঝতে পেরেছি এটাই আমেরিকা। এর অংশ হতে হবে আমাকে। এ জন্যই আমি লড়াই করতে চাই। জনগণ আমেরিকায় এটাই চায়। ফাইরুজ সাদের বয়স এখন ৩৪ বছর। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতির উচ্চতর পর্যায়ের লড়াইয়ে নামতে চান। প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়তে চান ডেভ ট্রোটের বিরুদ্ধে। যদি এক্ষেত্রে তিনি সফল হন তাহলে তিনিই হবেন যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে নির্বাচিত প্রথম কোনো নারী। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে এখন ক্ষমতায় এমন একজন প্রেসিডেন্ট, যিনি ক্ষমতায় আসার পর পরই প্রথমে সাতটি, পরে ৬টি মুসলিম দেশের বিরুদ্ধে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দেন। নির্বাচনী প্রচারণার সময় সব মুসলিমকে যুক্তরাষ্ট্রে নিষিদ্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তাই ফাইরুজ সাদ মাঝে মাঝেই বলেন, তিনি ট্রাম্প বিরোধী প্রচারণা চালাতে চান না। তিনি মনোযোগ দেবেন নিজস্ব নীতিতে, প্রস্তাবে এবং তার মর্যাদায়।

ফাইরুজ স্বীকার করেন, তাকে অনেক কিছু করতে হবে, অনেক পরিবর্তন করতে হবে। এ জন্যই তিনি ট্রাম্পের এজেন্ডার বিরুদ্ধে লড়াই করতে চান। যদি নির্বাচিত হন তাহলে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সঙ্গে ‘প্রথম’ ধারণার সঙ্গে একমত হবেন। সেটা হলো সংখ্যালঘু সম্প্রদায় থেকে নির্বাচিত প্রথম সদস্য, যে তার সম্প্রদায়ের জন্য রাজনীতির সীমা ভেদ করতে পারেন। ওবামার সঙ্গে তিনি একই রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করেন। স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ক ইস্যুতে জোর দেন। অভিবাসীদের সমর্থন করেন। ক্ষুদ্র বাণিজ্যকে উৎসাহিত করেন। তাদের দু’জনেরই পিতামাতার কমপক্ষে একজন অভিবাসী এবং তাদের নাম এমন যাতে বেশির ভাগ মার্কিনিই দ্বিধান্বিত হতে পারে। ফাইরুজ বলেন, আমার নাম আরবিতে রাখা হয়েছে। আমার নামের অর্থ হলো মূল্যবান পাথর। প্রথম প্রচারণামুলক ভিডিওতে তিনি এসব কথা বলেছেন। ওদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়া শেষ করেই তিনি বারাক ওবামার অধীনে ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি’তে ‘কমিউনিটি পুলিশিং’-এ কাজ করেছেন। এর মধ্য দিয়ে অভিবাসী সম্প্রদায় ও স্থানীয় আইন প্রয়োগকারীদের মধ্যে সম্পর্ক দৃঢ় হয়। এ ছাড়া সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সঙ্গে তিনবার হোয়াইট হাউজে মুসলিমদের পক্ষে সাক্ষাত করেছেন ফাইরুজ।

এ সময় ওবামা তাকে হাতে তৈরি কিছু কাজের উপহার দেন। দু’জনে একসঙ্গে ছবি তোলেন। প্রেসিডেন্ট ওবামার একজন ভক্ত ফাইরুজ। কিন্তু তার সঙ্গে ফাইরুজকে তুলনা করা হলে তাতে তার আপত্তি আছে। তিনি এ বিষয়ে বলেন, আমাদের গণতন্ত্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আমাদের নির্বাচিত নেতাদের ভালবাসা। তাদেরকে সম্মান করা। আবার একই সময়ে তারা যেসব কাজ করেছেন তার কিছুটা চ্যালেঞ্জ করা। এক্ষেত্রে তাদের মধ্যে রাজনীতিতে গরমিল হলো জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যুতে।

 

ইউকে এর আরও খবর
অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশ ইউকের নৈশভোজ ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা

অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশ ইউকের নৈশভোজ ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা

লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের সদস্য মিছবাহ জামালের মা হুসনে আরা বেগমের ইন্তেকাল : ক্লাব নেতৃবৃন্দের শোক

লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের সদস্য মিছবাহ জামালের মা হুসনে আরা বেগমের ইন্তেকাল : ক্লাব নেতৃবৃন্দের শোক

Issue 28. Year 12. 10-16 Oct.2025

Issue 28. Year 12. 10-16 Oct.2025

লন্ডনে ‘ই-ইমামস’ ওয়েবসাইটের আনুষ্ঠানিক যাত্রা : ইসলামি সেক্টরের চাকরি প্রার্থীদের জন্য সুখবর

লন্ডনে ‘ই-ইমামস’ ওয়েবসাইটের আনুষ্ঠানিক যাত্রা : ইসলামি সেক্টরের চাকরি প্রার্থীদের জন্য সুখবর

আনন্দ-উচ্ছ্বাসে শেষ হলো লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৫ : ওয়ানবাংলা চ্যাম্পিয়ন, চ্যানেল এস রানার আপ

আনন্দ-উচ্ছ্বাসে শেষ হলো লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৫ : ওয়ানবাংলা চ্যাম্পিয়ন, চ্যানেল এস রানার আপ

ইস্ট হ্যান্ডস ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট রেকর্ড অংশগ্রহণের মাধ্যমে সফলভাবে সমাপ্ত

ইস্ট হ্যান্ডস ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট রেকর্ড অংশগ্রহণের মাধ্যমে সফলভাবে সমাপ্ত

টাওয়ার হ্যামলেটসে শিশুদের জন্য উচ্চাকাঙ্ক্ষী আর্লি হেল্প স্ট্র্যাটেজি চালু : গর্ভাবস্থা থেকে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া পর্যন্ত পরিবারকে সহায়তা

টাওয়ার হ্যামলেটসে শিশুদের জন্য উচ্চাকাঙ্ক্ষী আর্লি হেল্প স্ট্র্যাটেজি চালু : গর্ভাবস্থা থেকে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া পর্যন্ত পরিবারকে সহায়তা

শাহেদ রাহমান সম্পাদিত ম্যাগাজিন ও কাব্যসংকলন প্রকাশ

শাহেদ রাহমান সম্পাদিত ম্যাগাজিন ও কাব্যসংকলন প্রকাশ

এমসিএর দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন সম্পন্ন

এমসিএর দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন সম্পন্ন

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস যুক্তরাজ্যের লীডস ও ব্রাডফোর্ড শাখার নতুন কমিটি গঠন

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস যুক্তরাজ্যের লীডস ও ব্রাডফোর্ড শাখার নতুন কমিটি গঠন

To place an advert here,
Please call on 020 3540 0942

Editor: Taysir Mahmud

Weekly Desh : 53A Mile End Road, London E1 4TT,
Contact us: 020 3540 0942, Mobile: 07940 782 876
Email: info@weeklydesh.co.uk (News)
Email: advert@weeklydesh.co.uk (Advertisement)
Email: editor@weeklydesh.co.uk (Editorial inquiry)

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh

Go to top