স্কটিশ পার্লামেন্টের এমপি ফয়সল চৌধুরীকে সংবর্ধনা
প্রকাশিত হয়েছে : ০১ আগস্ট ২০২৩
স্কটল্যান্ডের পার্লামেন্টে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত এমপি নির্বাচিত হওয়ায় ফয়সল চৌধুরীকে বৃটেনের প্রথম মসজিদ আব্দুল্লাহ কুইলিয়াম’র পক্ষ থেকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।
আব্দুল্লাহ কুইলিয়াম সোসাইটির সভাপতি গালিব খাঁনের সভাপতিত্বে ও সোসাইটি সিইও মুনিম খাঁন এর প্রাণবন্ত উপস্থাপনায় সভায় বক্তব্য রাখেন, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ফারহান মাসুদ খান, কাউন্সিলার নাজমুল হাসান, মুজাহিদ খাঁন, শেখ ছুরত মিয়া আছাব, কয়ছর মিয়া, সৈয়দ বেলাল আহমেদ, আজগর আলী, খায়রুল ইসলাম, আবুল হাসেম ভুইয়া কামাল, সিপার মিয়া, আলতাব সাঈদ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে ফয়ছর চৌধুরীকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন আব্দুল্লাহ কুইলিয়াম সোসাইটির নেতৃবৃন্দরা। পরে ভিক্টরিয়ান যুগের এই মসজিদটির বিভিন্ন স্থাপনা ঘুরে দেখে মুগ্ধ হন ফয়ছল চৌধুরী। এরকম একটি প্রাচীন মসজিদে হাজারো মুসল্লিদের সাথে নামাজ পড়তে পেরেও এমপি ফয়সল চৌধুরী খুব আনন্দবোধ করেন।
সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন লিভারপুর বাংলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ফখরুল আলম, সম্পাদক আবু সাঈদ চৌধুরী সাদি, সহ সভাপতি কবি সবুর হোসেন, ম.আজাদ সহ কমিউনিটির বিভিন্ন শ্রেনী পেশার গুণিজনেরা।
সভায় এমপি ফয়সল চৌধুরী এমবিই এর কর্মময় জীবনে উপর আলোচনা করা হয়। প্রতিভাদীপ্ত এই মানুষটির কারণেই মূলত বৃটিশ বাঙালি নতুন প্রজন্মদের সামনের দিকে এগিয়ে যেতে অনুপ্রেরণা যোগাবে। আর তাঁর দেখানো পথ ধরেই আগামীতে হাঁটবে নতুন প্রজন্ম-এমনটা প্রত্যাশা করছেন কমিউনিটির গুণিজনেরা।
অনুষ্ঠান শেষে এমপি ফয়সল চৌধুরী এমবিই এর হাতে আব্দুল্লাহ কুইলিয়ার এর কর্মময় জীবনের উপর লেখা বই ও উপহার সামগ্র তোলে দেন আব্দুল্লাহ কুইলিয়াম সোসাইটির নেতৃবৃন্দরা। সভায় লিভারপুল, উইরাল, ম্যানচেষ্টার, নর্থওয়েলসসহ নর্থ ইংল্যান্ডের বিভিন্ন শহরের প্রবাসী বাংলাদেশীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, এমপি ফয়সল চৌধুরীর গ্রামের বাড়ী হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার ৯নং বাউশা ইউনিয়েনের বদরদি গ্রামে। তাঁর বাবা আলহাজ্ব গোলাম রব্বানী চৌধুরী আর মাতা রোকেয়া রব্বানী চৌধুরী। দুই ভাই আর পাঁচ বোনের মধ্যে সবচেয়ে বড় হলেন ফয়ছল চৌধুরী এমবিই। তার শৈশব কেটেছে হবিগঞ্জ শহরে। তিনি হবিগঞ্জ শহরের রামচরণ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ চুকিয়ে হবিগঞ্জ সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ে ৮ম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত অবস্থায় বাবা-মায়ের সাথে বিলেত পাড়ি জমান। সেই থেকে বিলেতের মাটিতে তাঁর শিক্ষা জীবন শুরু হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

