সাংবাদিক ইব্রাহিম খলিলের নির্বাচনী প্রচারণায় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
প্রকাশিত হয়েছে : ২১ এপ্রিল ২০২৩
আগামী ৪ মে ব্রিটেনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। এদিন সারাদেশের মেট্রপলিটন, ডিস্টিক্ট, ইউনিটারী ও বারাকাউন্সিলসহ মোট ২৩০টি অথরিটিতে ভোট গ্রহণ হবে। ৪টি কাউন্সিলে জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হবেন মেয়র।
গ্রেটার ম্যানচেষ্টারের রচডেল বারা কাউন্সিলের কিংসওয়ে ওয়ার্ডে এবারো ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টি থেকে কাউন্সিলরপ্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন সাংবাদিক ইব্রাহিম খলিল। রচডেল বারা কাউন্সিলের এই ওয়ার্ডে তিনিই একমাত্র এশিয়ান অরিজিন কাউন্সিলার প্রার্থী।
বিরোধী দল লেবার পার্টির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত রচডেল এলাকায় ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির জন্য ভোট টানতে ক্যাম্পেইন অংশ নিয়েছেন খোদ দলটির লিডার ও বর্তমান ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর ঋষি সোনাকের এটি প্রথম স্থানীয় সরকার নির্বাচন।
গত ২২ এপ্রিল শনিবার রচডেলে প্রার্থীদের নিয়ে জনগণের দুয়ারে দুয়ারে হাজির হন তিনি। প্রার্থীদের জন্য ভোট প্রার্থনা করেন। এ সময় অন্যান্য প্রার্থীদের পাশাপাশি ইব্রাহিম খলিলকেও পরিচয় করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী ঋষি সোনাক। স্থানীয় জনগণ এ সময় তাদের দেশের ইতিহাসে প্রথম এশিয়ান অরিজিন প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে দারুণ খুশি ও উচ্ছাস প্রকাশ করেন।
ইব্রাহিম খলিল পেশায় একজন সাংবাদিক। বিলেতে বাংলাদেশী কমিউনিটির জনপ্রিয় স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল, চ্যানেল এস-এর সিনিয়র রিপোর্টার হিসেবে কাজ করেছেন। সাংবাদিকতার পাশাপাশি ব্যবসা, কমিউনিটি এবং মানব সেবায় তিনি সক্রিয়ভাবে জড়িত। তার নেতৃত্বে লন্ডনে অত্যন্ত কম সময়ে সাফলতা অর্জন করেছে খেলাধুলা বিষয়ক সংগঠন লন্ডন¯েপার্টিফ। প্রায় ১৫টি এথনিক অরিজিন খেলোয়াররা এই ক্লাবে নিয়মিত ফুটবল, ক্রিকেট এবং ব্যাডমিন্টন খেলায় অংশ নিচ্ছে। পুরো বৃটেনে বাংলাদেশী কমিউনিটির ক্রীড়াপ্রেমীদের কাছে এই ক্লাবটি অত্যন্ত জনপ্রিয়।
এছাড়াও বৃটেনের শত বছরের সাংবাদিকতার স্মারক প্রতিষ্ঠান লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের দুই দুইবারের নির্বাচিত ট্রেনিং সেক্রেটারী ছিলেন ইব্রাহিম খলিল। সম্প্রতি বৃটেনের জাতীয় আদম শুমারী (সেনশাস) এর নর্থ ইংল্যান্ডের একটি প্রজেক্টে সিনিয়র অফিসার পদেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন।
কাজের পাশাপাশি বর্তমানে ইউনিভার্সিটি অব ওয়েলস ট্রিনিটি সেইন্ট ডেভিডে ল এন্ড লিগ্যাল প্রেকটিস কোর্সে ফুলটাইম পড়াশোনা করছেন। ভবিষ্যতে তিনি একজন ভালো আইনজীবী হতে চান।
ইব্রাহিম খলিল আশাবাদী, মূলধারার রাজনীতিতেও তিনি সফল হবেন। বাংলাদেশী তথা স্থানীয় কমিউনিটির সকলের সেবায় তিনি কাজ করতে চান। একজন তরুণ রাজনীতিবিদ হিসেবে বিশেষ করে, সমাজের তরুণ ও যুব সমাজের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে চান।
রচডেল কাউন্সিলের কনজারভেটিভ লিডার, কাউন্সিলার জন টেইলার অত্যন্ত খুশি তরুণ এবং উদ্যোমী ইব্রাহিম খলিলকে পার্টির কাউন্সিলার প্রার্থী হিসেবে দেখতে পেরে। ভবিষ্যতে কনজারভেটিভ পার্টিতে স্থানীয় এশিয়ান অরিজিনদের জন্য ইব্রাহিম খলিল হতে পারেন একজন অনুপ্রেরণা।

