বৃটেনে হিযবুত তাহরীরের উদ্যোগে পাবলিক সেমিনার অনুষ্ঠিত
প্রকাশিত হয়েছে : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
বৃটেনে হিযবুত তাহরীরের উদ্যোগে পাবলিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত বুধবার ৮ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের স্কুলে ‘অনৈসলামিক পাঠ্যপুস্তক: আমাদের করণীয়’ শিরোনামে লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটসে এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বৃটেনের বিভিন্ন পেশাজীবি মানুষেরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটিতে মূল বক্তব্য রাখেন হিযবুত তাহরীর বৃটেনের সদস্য দিলওয়ার মিয়া। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ওয়াকিল আহমদ। গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন ইমাম আবু ইয়ামিন সরকার এবং অধ্যাপক মাওলানা আব্দুল কাদির সালিহ।
সেমিনারটিতে মূলত বাংলাদেশের মাধ্যমিকের পাঠ্যবইয়ে বিবর্তনবাদ; সমকামিতা; হিন্দুত্ববাদের জয়গান; মুসলিম শাসকদের বহি:শত্রু হিসেবে উপস্থাপন; মুসলিম নারীর পোশাকের উপর আক্রমণ নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, বৈশ্বিক সংস্কৃতি পশ্চিমা সেক্যুলারিজম দ্বারা সুরক্ষিত। যেহেতু বিশ্বের প্রায় প্রত্যেকটি দেশ বৈশ্বিক সংস্কৃতির আকীদা সেক্যুলার লিবারেল ডেমোক্রেটিক আদর্শে পরিচালিত সেহেতু আজ হোক কাল হোক দেশগুলোকে তার নিজস্ব সংস্কৃতি এই বৈশ্বিক সংস্কৃতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ন করতে হবে। এই প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে আমাদের দেশের মাধ্যমিকের পাঠ্যপুস্তকে এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। তাই যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা ধর্মনিরেপেক্ষ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় আবদ্ধ ততক্ষন পর্যন্ত নিছক রাজনৈতিক দলের পরিবর্তন এই আগ্রাসন থেকে আমাদের মুক্ত করবে না।
বক্তারা আরো বলেন, সাম্রাজ্যবাদী দালালদের দ্বারা ইসলাম ও মুসলিম বিরোধী ষড়যন্ত্র নতুন কিছু নয়। আর এজন্য আমাদের এই প্রতিবাদের ফলে যদি কোন লোক দেখানো পরিবর্তন অর্জিত হয় তা ইসলাম ও মুসলিমদের জন্য কোন কল্যাণ বয়ে আনবেনা। শিক্ষাব্যবস্থার এই চরম অধঃপতনের সামগ্রিক পরিবর্তন করতে আমাদের মনে রাখা উচিত সেক্যুলার শিক্ষাব্যবস্থা ও এর পাঠ্যক্রম গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং ইসলামিক মূল্যবোধ ধ্বংসের মূল হাতিয়ার। বিএনপি সহ দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলসমূহ কুফর সাম্রাজ্যবাদীদের আজ্ঞাবহী দালাল হওয়ার প্রতিযোগিতায় লিপ্ত। তারা কখনোই সাম্রাজ্যবাদী প্রভুদের উপেক্ষা করে ইসলাম ও মুসলিমদের বিশ্বাস ও আক্বিদা প্রতিরক্ষা করতে এগিয়ে আসবেনা।
তারা বলেন, এই পাঠ্যক্রমের বিরুদ্ধে মুসলমানদের স্বতঃস্ফুর্ত প্রতিবাদ প্রমান করে যে তারা ইসলাম দ্বারা পরিচালিত হতে বদ্ধপরিকর ও তদনূরুপ শাসনব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার ঈমানী শক্তি তাদের রয়েছে। তাই দেশ ও জাতির মুক্তির লক্ষ্যে ও শিশু কিশোরদের ভবিষ্যত সুরক্ষায় ইসলামী খিলাফত ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করার আমাদের প্রত্যেকের শপথ নেয়া উচিত। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

