ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশী মাস্টার শেফের কুকিং প্রতিযোগিতা সম্পন্ন
প্রকাশিত হয়েছে : ২৭ জানুয়ারি ২০২৩
এহসানুল ইসলাম চৌধুরী শামীম :: জমজমাট আয়োজনের মধ্য দিয়ে ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশী মাস্টার শেফ-২০২৩ এর সরাসরি কুকিং প্রতিপ্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশী মাস্টার শেফ এর ফাউন্ডার সেলিব্রেটি শেফ মোহাম্মদ আলী এই আয়োজন করেন। প্রতিযোগিতায় ছিল মাছ, শাক-সবজি ও বাংলাদেশী ঐতিহ্যিক সুগন্ধি ফলের ফিউশনকারী।
এছাড়াও খাবারের নাম ও সৃজনশীল উপস্থাপনায় ছিল মেধা ও অভিজ্ঞতার ছাপ। অনুষ্ঠানে বিচারক ও অতিথিবৃন্দ প্রতিযোগী শেফদের উপস্থাপিত মৌলিক ডিশ, স্বাদ ও সৃজনশৈলীর প্রশংসা করে বলেন, এরকম প্রতিযোগিতা বাংলাদেশী কারী শিল্পের ব্রান্ডিং তৈরীতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।
আগামী ১৫ মার্চ বাংলাদেশের সিলেটে ফাইভস্টার হোটেল গ্রান্ড সিলেটে বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশি মাস্টার শেফ এর এর গালা ডিনার ও অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠান।
অনুষ্ঠানকে সামনে রেখে সেরা শেফ বাছাই করতে গত ২৪ জানুয়ারি মঙ্গলবার বিকালে ব্রিটেনের নর্থাম্পটন কলেজে মডান কিচেনে অনুষ্ঠিত হলো কোক অফ কম্পিটিশন। ব্রিটেনের বিভিন্ন শহর থেকে তেরজন শেফ সরাসরি কুকিং প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন।
নর্থাম্পটন কলেজের মর্ডান কিচেনে দুপুর একটা থেকে তিনটা পর্যন্ত এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রত্যেক প্রতিযোগি দুই ঘন্টা সময় নিয়ে তার সেরা রান্নাটি বিচারকের সামনে উপস্থাপন করেন।
অনুষ্ঠানে সেলিব্রেটি ও বিশিষ্টজনের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে পাঁচ জন বিজয়ী শেফের নাম ঘোষণা করা হয়। তারা হলেন, দুলাল সাঈদ, আরজু মিয়া, নাজির আলী, সাঈদ আহমদ ও লোকস মিয়া। বিজয়ী শেফরা আগামী ১৫ মার্চ সিলেটে পাঁচশত বাংলাদেশের শেফের মধ্যে বাছাইকৃত দশ জন শেফের সাথে চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেবেন। অনুষ্ঠানে বিচারক ও অতিথিবৃন্দ প্রতিযোগিতায় শেফদের উপস্থাপিত মৌলিক ডিস, খাবার ও সৃজনশীলতার প্রশংসা করেন।
অনুষ্ঠানে পলের উপস্থাপনায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন নর্থা¤পটন টাউন কাউন্সিলের মেয়র-কাউন্সিলার ডেনিস মেরেডিথ, আয়োজক সেলিব্রেটি শেফ মোহাম্মদ আলী, শাহ আলী কাউন্সিলর ইমরান চৌধুরী, সিরাজ ইসলাম, জুয়েল মিয়া, জিল্লুর হোসেন এমবিই, প্রধান বিচারক এন্ড্রু গ্রিন, সেলিব্রেটি শেফ এহসানুল ইসলাম চৌধুরী শামীম প্রমুখ। সব শেষে বিজয়ী শেফ ও অংশগ্রহণকারীদের হাতে পুরস্কার হাতে তুলে দেন।
আয়োজক মোহাম্মদ আলী বলেন, মেধার সমন্বয়ে আমাদের প্রচেষ্টা-বাংলাদেশী কারী শিল্পের ব্রান্ডিং, সেরামান এবং কোয়ালিটি খাবার উপহার দেবার মতো শেফদের খুজে বের করে তাদেরকে আনুষ্ঠানিক পুরস্কার প্রদানের মাধ্যমে তুলে ধরা। এবারের সবচেয়ে ভালো দিক হচ্ছে, প্রতিযোগি শেফরা বয়সে তরুণ এবং নতুন চিন্তাধারার। বাংলাদেশী ঐতিহ্যকে ধারণ করে অনেকগুলো ডিশ কারী ইন্ড্রাস্ট্রিতে যুক্ত হবে বলে আমরা আশাবাদী।

