|
  • Media Packs
  • Our Team
  • Contact Us
logo

  • ইউকে
  • কমিউনিটি
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্বজুড়ে
  • সিলেট
  • মুখোমুখি
  • মুক্তমত
  • ইসলাম
  • সাহিত্য
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রিন্ট ভার্সন
  • English
  • আর্কাইভ
  • ইউকে
  • কমিউনিটি
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্বজুড়ে
  • সিলেট
  • মুখোমুখি
  • মুক্তমত
  • ইসলাম
  • সাহিত্য
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রিন্ট ভার্সন
  • English
  • আর্কাইভ
  1. প্রচ্ছদ
  2. প্রচ্ছদ
  3. মুক্তিযোদ্ধা ম.আ মুক্তাদিরের স্মৃতি অমর হোক

মুক্তিযোদ্ধা ম.আ মুক্তাদিরের স্মৃতি অমর হোক


প্রকাশিত হয়েছে : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১

মোঃ গয়াছুর রহমান গয়াছ :: সত্তর ও আশির দশকের আপোসহীন ছাত্রনেতা, সিলেট ও জাতীয় দাবি-দাওয়া, গরীব মানুষের রাজপথের আন্দোলনের লড়াকু সৈনিক যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশী কমিউনিটির বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামের অগ্রসৈনিক বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা ম আ মুক্তাদিরের ২৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর। ম আ মুক্তাদির স্মৃতি কল্যাণ ট্রাস্ট প্রত্যেক বছর বাংলাদেশ, লন্ডন ও আমেরিকায় মৃত্যুবার্ষিকী পালন করে থাকে। মুক্তাদির ভাইয়ের রাজনৈতিক সহযোদ্ধা সরকারি মদন মোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি ও (বাসদ) ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি শাহাব উদ্দিন ভাইয়ের বিশেষ উদ্যোগে দেরিতে হলেও তাঁর শুভানুধ্যায়ীরা ট্রাস্ট গঠন করেন। এ বছর কোভিড মহামারির কারণে সীমিত পরিসরে এবং লেখালেখির মাধ্যমে তাকে স্মরণ করা হচ্ছে। মুক্তাদির ভাইয়ের স্মৃতি আমাকে সবসময় প্রেরণা ও তাড়া করে বেড়ায়। তা নিয়েই আমার আজকের নিবেদন।

মুক্তাদির ভাইয়ের সঙ্গে আমার এমন কিছু স্মৃতি রয়েছে যা তাঁকে আমার মনের মণিকোঠায় চির-অম্লান করে রেখেছে। তাঁর সঙ্গে খুব কাছাকাছি থাকার সুযোগ হয়েছিলো ১৯৮০-৮১ সালে সরকারি মদনমোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ছাত্র সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে। শাহাব ভাই যখন ভিপি প্রার্থী ছিলেন আমি তখন ছাত্রলীগ (মান্না-আক্তার) মদনমোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ শাখার সভাপতি ও ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক পদে প্রার্থী ছিলাম। ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ জেনারেল এরশাদ যখন সামরিক শাসন জারি করেন সেই আন্দোলনের একজন সূর্য সৈনিক ছিলেন মুক্তাদির ভাই। তখন প্রায় রাত্রে মুক্তাদির ভাই, আমি ও শামীম সিদ্দিকীকে একসঙ্গে আত্মগোপনে থাকতে হয়েছে। আজকের মধুবন মার্কেট এটা ছিল সিলেট সরকারি পাইলট হাই স্কুলের ছাত্রাবাস। তৎকালীন জিয়াউর রহমান সরকারের শিক্ষামন্ত্রী শাহ আজিজুর রহমান এটি গোপনে বিক্রি করেন। তার প্রতিবাদে সিলেটের ছাত্রজনতা গভীর আন্দোলনে ফেটে পড়েন। সেই আন্দোলনেরও প্রথম সারির নেতা ছিলেন মুক্তাদির ভাই।

সিলেট বিভাগ আন্দোল, সিলেট বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আন্দোলন, সিলেট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, বাংলাদেশের জাতীয় সম্পদ তেল, গ্যাস অবৈধভাবে বিদেশী কোম্পানি নাইকোর কাছে চুক্তি বাতিলের দাবিতে আন্দোলনে মুক্তাদির ভাই ছিলেন আপোসহীন নেতা। সেসব আন্দোলনে মুক্তাদির ভাইয়ের সাথে মিছিলে থাকার সুযোগ আমারও হয়েছিল। সেই যে তাঁর সঙ্গে আমার সম্পর্কের সূত্রপাত ঘটে এর সমাপ্তি ঘটে তাঁর ইন্তেকালের মধ্য দিয়ে। লন্ডনে আসার পরও সবসময়ই তাঁর কাছাকাছি ছিলাম। তিনি ছিলেন একজন সাদা মনের মানুষ এবং সত্যিকারের দেশপ্রেমিক। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাত থেকে বাঙালি মা-বোনদের ইজ্জত রক্ষা, দেশমাতৃকাকে মুক্ত ও একটি স্বাধীন লাল সবুজের পতাকার জন্য নিজের জীবন বাজি রেখে যারা মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন তাদেরই একজন বীর সন্তান সিলেটের দক্ষিণ সুরমার কদমতলী গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম ম আ মুক্তাদির। তিনি মেজর সিআর দত্তের নেতৃত্বে ৪নং সেক্টরে একজন সক্রিয় মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখেন।

ম আ মুক্তাদির রাজনীতি করতেন মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য। সমাজের আমূল পরিবর্তন ও অগ্রসর চিন্তার মানুষের বিপ্লব ঘটানোর লক্ষ্যে আজীবন সংগ্রাম করে গিয়েছিলেন। নির্যাতন আর জেল-জুলুমকে আলিঙ্গন করে নিয়েছিলেন নতুন সূর্যোদয়ের আশায়। তিনি মৃত্যুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত নিপীড়িত, নির্যাতিত ও অবহেলিত মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে একজন নিবেদিত সমাজকর্মী হিসেবে নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন। তিনি আমৃত্যু স্বপ্ন দেখেছেন একটি অসাম্প্রদায়িক, শোষণহীন বাংলাদেশের।

আপোসহীন এই ছাত্রনেতা, বাংলাদেশ সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ এর জন্মলগ্নে জাসদ ছাত্রলীগে যোগ দেন এবং জাসদ সংগঠনের বলিষ্ঠ সংগঠক হিসেবে ১৯৭৩ সালে সিলেট জেলা ছাত্রলীগের (জাসদ) সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব লাভ করেন। ১৯৭৪ সালে তিনি এমসি কলেজ থেকে বিএ পরীক্ষা দেন। ১৯৭৬ সালের ৯ জুন জাসদ রাজনীতির চরম দুর্দিনে জেলা জাসদ ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মনোনীত হন তিনি। ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ জাসদ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭৯ সালে তিনি দ্বিতীয় বার ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৮০ সালে বাসদ প্রতিষ্ঠা হলে তিনি বাসদের কেন্দ্রীয় সদস্য ও সিলেট জেলা বাসদের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন। এ দায়িত্ব গ্রহণে তিনি কিছুদিন বাসদ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এক কথায় সিলেটে বাসদের জন্মদাতা ম আ মুক্তাদির। বাসদ এবং ছাত্রলীগ যতদিন থাকবে মুক্তাদিরও ততোদিন প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে বেঁচে থাকবেন।

১৯৮৪ সালে তিনি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। ১৯৮৬ সালে তিনি লন্ডনে পাড়ি জমান। বাংলাদেশের রাজনীতিতে তিনি যেমন সক্রিয় ভূমিকা রাখেন ঠিক তেমনি লন্ডনে প্রবাসী বাঙালিদের মাঝে বাসদকে সংগঠিত করেন এবং পরবর্তীকালে যুক্তারাজ্যে লেবার পার্টিতে যোগ দেন। বিলেতের মাটিতে তিনি শুধু রাজনীতিতেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না। সামাজিক ও সংস্কৃতিক অঙ্গনেও তার সক্রিয় সম্পৃক্ততা ছিল। ২১শে ফেব্রুয়ারি, শহীদ দিবস, বিজয় দিবসসহ বিভিন্ন জাতীয় অনুষ্ঠান আয়োজনে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।

লন্ডনে প্রবাসী সিলেটী ও বাঙালিদের দাবি-দাওয়া বাস্তবায়নের আন্দোলনের পাশাপাশি বাংলাদেশ স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন, প্রবাসী বাঙালিদের হয়রানি, নারী নির্যাতনসহ মানবতাবিরোধী, বর্ণবাদ বিরোধী প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে ছিল তাঁর বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর। তিনি সিলেট বিভাগ প্রতিষ্ঠা আন্দোলন, যুদ্ধাপরাধী ও সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে ঘাতক দালাল নির্মূল জাতীয় সমন্বয় কমিটি ঘোষিত আন্দোলনে প্রবাসী বাঙালিদের সংগঠিত করেন এবং স্বৈরাচার-বিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পক্ষে বিশ্ব জনমত গড়ে তুলতে লন্ডনে বলিষ্ঠ সংগঠকের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি লন্ডনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মঞ্চের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা।

ম আ মুক্তাদির ১৯৯৭ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর আকস্মিক হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে রয়েল লন্ডন হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়েসহ বহু আত্মীয় স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে যান। তাঁর মরদেহ বাংলাদেশে নিয়ে সিলেট শহরতলীর কদমতলীতে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়।

২৪তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মান দেখানোর মধ্য দিয়ে নিজের দেশ ও জাতির প্রতিই সম্মান দেখানো হয়। তাই আমারা আশা করি সরকার এই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে স্মরণ রাখার জন্য সিলেটের যে কোনো একটি রাস্তার নাম তাঁর নামে নামকরণের উদ্যোগ গ্রহণ করবে। ম আ মুক্তাদিরের স্মৃতি অমর হোক। বিপ্লব দীর্ঘজীবী হোক।

লেখক: মোঃ গয়াছুর রহমান গয়াছ
সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ (মান্না-আক্তার), সিলেট জেলা শাখা।
১০ সেপ্টেম্বর ২০২১।

 

প্রচ্ছদ এর আরও খবর
অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশ ইউকের নৈশভোজ ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা

অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশ ইউকের নৈশভোজ ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা

লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের সদস্য মিছবাহ জামালের মা হুসনে আরা বেগমের ইন্তেকাল : ক্লাব নেতৃবৃন্দের শোক

লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের সদস্য মিছবাহ জামালের মা হুসনে আরা বেগমের ইন্তেকাল : ক্লাব নেতৃবৃন্দের শোক

Issue 28. Year 12. 10-16 Oct.2025

Issue 28. Year 12. 10-16 Oct.2025

লন্ডনে ‘ই-ইমামস’ ওয়েবসাইটের আনুষ্ঠানিক যাত্রা : ইসলামি সেক্টরের চাকরি প্রার্থীদের জন্য সুখবর

লন্ডনে ‘ই-ইমামস’ ওয়েবসাইটের আনুষ্ঠানিক যাত্রা : ইসলামি সেক্টরের চাকরি প্রার্থীদের জন্য সুখবর

আনন্দ-উচ্ছ্বাসে শেষ হলো লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৫ : ওয়ানবাংলা চ্যাম্পিয়ন, চ্যানেল এস রানার আপ

আনন্দ-উচ্ছ্বাসে শেষ হলো লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৫ : ওয়ানবাংলা চ্যাম্পিয়ন, চ্যানেল এস রানার আপ

ইস্ট হ্যান্ডস ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট রেকর্ড অংশগ্রহণের মাধ্যমে সফলভাবে সমাপ্ত

ইস্ট হ্যান্ডস ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট রেকর্ড অংশগ্রহণের মাধ্যমে সফলভাবে সমাপ্ত

টাওয়ার হ্যামলেটসে শিশুদের জন্য উচ্চাকাঙ্ক্ষী আর্লি হেল্প স্ট্র্যাটেজি চালু : গর্ভাবস্থা থেকে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া পর্যন্ত পরিবারকে সহায়তা

টাওয়ার হ্যামলেটসে শিশুদের জন্য উচ্চাকাঙ্ক্ষী আর্লি হেল্প স্ট্র্যাটেজি চালু : গর্ভাবস্থা থেকে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া পর্যন্ত পরিবারকে সহায়তা

শাহেদ রাহমান সম্পাদিত ম্যাগাজিন ও কাব্যসংকলন প্রকাশ

শাহেদ রাহমান সম্পাদিত ম্যাগাজিন ও কাব্যসংকলন প্রকাশ

এমসিএর দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন সম্পন্ন

এমসিএর দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন সম্পন্ন

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস যুক্তরাজ্যের লীডস ও ব্রাডফোর্ড শাখার নতুন কমিটি গঠন

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস যুক্তরাজ্যের লীডস ও ব্রাডফোর্ড শাখার নতুন কমিটি গঠন

To place an advert here,
Please call on 020 3540 0942

Editor: Taysir Mahmud

Weekly Desh : 53A Mile End Road, London E1 4TT,
Contact us: 020 3540 0942, Mobile: 07940 782 876
Email: info@weeklydesh.co.uk (News)
Email: advert@weeklydesh.co.uk (Advertisement)
Email: editor@weeklydesh.co.uk (Editorial inquiry)

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh

Go to top