সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে নৌকাডুবিতে নিহত ১০, উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত
প্রকাশিত হয়েছে : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯
সিলেট, ২৫ সেপ্টেম্বর :: সুনামগঞ্জের দিরাইয়ের কালিয়া কুঠা হাওরে নৌকাডুবির ঘটনায় উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিশ্বজিৎ দেব। বুধবার দুপুরে নিখোঁজ তাছমিনা বেগমের মরদেহ উদ্ধারের পর এ অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা দেন ইউএনও।
দুপুর পর্যন্ত উদ্ধারকৃতরা হলেন- রফিনগর ইউপির মাছিমপুর গ্রামের আরজ আলীর স্ত্রী রইতনু নেছা, একই গ্রামের জাসদ মিয়ার মেয়ে শান্তা বেগম, চরনাচর ইউপির পেরুয়া গ্রামের করিমা বেগম, নোয়ারচর গ্রামের আসাদ মিয়া, আজিজুন বেগম স্বামী আফজল হোসেন ও নাছিমপুর গ্রামের আরজ আলীর মেয়ে তাছমিনা বেগম।
এছাড়া মঙ্গলবার রাতে উদ্ধারকৃতরা হলেন- মাছিমপুর গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে শামীম, একই গ্রামের বদরুল মিয়ার ছেলে আবিদ, নোয়ারচর গ্রামের আফাজালে ছেলে সোহান ও চরনারচর ইউপির পেরুয়া গ্রামের ফিরোজ আলীর ছেলে আজম।
পরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারকে ৯০ হাজার টাকা সহায়তা দেয়া হয়।
এদিকে নিহতদের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। নিহতদের পরিবারের বুকফাটা আর্তনাদে এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।
সুনামগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ডেপুটি অ্যাসিসটেন্ট ডিরেক্টর শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, বৈরি আবহাওয়ার কারণে উদ্ধার কাজ কিছুটা বিলম্বিত হয়েছিল। দুই দিনে সাত শিশু ও তিন নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ইউএনও ও পুলিশ বিভাগের কাছে মরদেহগুলো হস্তান্তর করা হয়েছে।
দিরাই থানার ওসি কে এম নজরুল জানান, নৌকাডুবির ঘটনার পর নিখোঁজ ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সুনামগঞ্জের দিরাইয়ের মাছিমপুর থেকে চরনার চর ইউপির পেরুয়া গ্রামে নৌকায় যাচ্ছিলেন যাত্রীরা। এ সময় কালিয়া কুঠা হাওরে ঝড়ের কবলে পড়ে ৩১ যাত্রীসহ নৌকাটি ডুবে যায়।

