সিলেটে প্রবাসী সাংবাদিকদের নিয়ে সাংবাদিক কনভেনশন আয়োজনের অভিমত
প্রকাশিত হয়েছে : ২৩ অক্টোবর ২০১৭
দেশ রিপোর্ট: প্রবাসে কর্মরত সাংবাদিকদের নিয়ে একটি কনভেশনের আয়োজনের ব্যাপারে অভিমত ব্যক্ত করেছেন সিলেট প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দ। গত ২৩ অক্টোবর সোমবার সিলেট শহরের সুবিদবাজারস্থ রেইনবো রেস্ট হাউজ হলে প্রবাসী সাংবাদিকদের সম্মানে সিলেট প্রেস ক্লাব আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় নেতৃবৃন্দ এই অভিমত ব্যক্ত করেন।
সিলেট প্রেস ক্লাব সভাপতি ইকরামুল কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্রের টাইম টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী আবু তাহের, যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক দেশ পত্রিকার সম্পাদক তাইসির মাহমুদ, স্পেন প্রবাসী এবং একাত্তর টেলিভিশনের ইউরোপ প্রতিনিধি নূরুল ওয়াহিদ, সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি খন্দকার সিপার আহমদ ও প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহ সভাপতি মুহাম্মদ আমজাদ হোসাইন।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্যে টাইমস টেলিভিশনের সিইও আবু তাহের আমেরিকায় বাংলা প্রিন্ট মিডিয়ার নানা সংকটের কথা তুলে ধরতে গিয়ে বলেন, সেখানকার অধিকাংশপত্রিকাই এখন ফ্রি ডিস্ট্রিবিউশন হয়ে থাকে। যেহেতু এখন অনলাইন ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার যুগ তাই বাধ্য হয়েই এখন পত্রিকাগুলো ফ্রি করতে হয়েছে। এতে পত্রিকার যেমন পাঠক সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ঠিক তেমনী রেভিনিউও বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি বলেন, সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায়ও পরিবর্তন আনতে হবে। নতুন মিডিয়া ঠিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।
সাপ্তাহিক দেশ সম্পাদক তাইসির মাহমুদ বৃটেনের বাংলা মিডিয়ার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস তুলে ধরে বলেন, ২০১৫ সালে বাংলা মিডিয়া একশ বছর উদযাপন করেছে। এই দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় অনেক সংবাদপত্রের জন্ম হয়েছে এবং অনেক পত্রিকা বন্ধ হয়েছে। তবে ৬টি সংবাদপত্র এখন নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে। এরমধ্যে ৩টি পত্রিকা এখন ফ্রি ডিস্ট্রিবিউশন হয়ে থাকে। এই পহিত্রকাগুলো একটি বিশাল পাঠগোষ্ঠী সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে। অর্থনৈতিক দিক থেকেও পত্রিকাগুলো ভালো করছে। কারণ ফ্রি ডিস্টিবিউশন হওয়ার ফলে বিজ্ঞাপনদাতাদের প্রথম পছন্দ হচ্ছে এসব সংবাদপত্র।
প্রেস ক্লাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আমজাদ হোসাইন বলেন, বাংলাদেশের বাইরে যে সকল সাংবাদিক রয়েছেন, যারা একসময় সিলেট প্রেস ক্লাবের সদস্য ছিলেন তাদেরকে প্রেস ক্লাবের সম্মানিত সদস্যপদ দিয়ে সম্মান দেখানো উচিত। তাদের নামের একটি তালিকা তৈরি করে সেটি প্রেসক্লাবের দেয়ালে ঝুলিয়ে রাখতে প্রস্তাব করেন।
মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ মো: রেনু, কোষাধ্যক্ষ মো: আফতাব উদ্দিন, চ্যানেল এস’র বিশেষ প্রতিনিধি আব্দুল মালিক জাকা, দৈনিক নয়া দিগন্তের ব্যুরো প্রধান এনামুল হক জুবের, দৈনিক জালালাবাদের নির্বাহী সম্পাদক আবদুল কাদের তাপাদার, দৈনিক কাজিরবাজারের নির্বাহী সম্পাদক সৈয়দ সুজাত আলী, টেলিভিশন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কামকামুর রাজ্জাক রুনু, প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, প্রেস ক্লাবের সাবেক কোষাধ্যক্ষ খালেদ আহমদ, এটিএন বাংলার ব্যুরো প্রধান শাহ মুজিবুর রহমান জখন, ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুল বাতিন ফয়সল, দৈনিক সিলেট বাণীর নির্বাহী সম্পাদক এম এ হান্নান, একাত্তর টিভির ব্যুরো প্রধান ইকবাল মাহমুদ, প্রেস ক্লাবের ক্রীড়া ও সংস্কৃতি সম্পাদক মো. আব্দুল আহাদ, প্রেস ক্লাবের নির্বাহী কমিটির সদস্য আনিস রহমান, দৈনিক সংগ্রামের ব্যুরো প্রধান কবির আহমদ, দৈনিক খবরপত্রের ব্যুরো প্রধান এম এ মতিন, প্রেস ক্লাবের সাবেক পাঠাগার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. আব্দুল মুকিত অপি, সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাক, সাংবাদিক সেলিম আউয়াল, ডেইলি ইন্ডাস্ট্রির সিলেট প্রতিনিধি গোলাম মর্তুজা বাচ্চু, দৈনিক সিলেটের ডাকের রিপোর্টার আমিরুল ইসলাম চৌধুরী এহিয়া, এনটিভির সিলেট প্রতিনিধি মারুফ আহমদ, চ্যানেল ২৪ এর ব্যুরো প্রধান গোলজার আহমেদ, বাংলা টিভির ব্যুরো প্রধান আবু তালেব মুরাদ, সাপ্তাহিক দেশ এর সিলেট প্রতিনিধি দেলোয়ার হোসাইন, চ্যানেল এস’র ক্যামেরাপার্সন বেলাল আহমেদ, বাংলাটিভির ক্যামেরাপার্সন আলমগীর, চ্যানেল ২৪ এর ক্যামেরাপার্সন শফি প্রমূখ।


