|
  • Media Packs
  • Our Team
  • Contact Us
logo

  • ইউকে
  • কমিউনিটি
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্বজুড়ে
  • সিলেট
  • মুখোমুখি
  • মুক্তমত
  • ইসলাম
  • সাহিত্য
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রিন্ট ভার্সন
  • English
  • আর্কাইভ
  • ইউকে
  • কমিউনিটি
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্বজুড়ে
  • সিলেট
  • মুখোমুখি
  • মুক্তমত
  • ইসলাম
  • সাহিত্য
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রিন্ট ভার্সন
  • English
  • আর্কাইভ
  1. প্রচ্ছদ
  2. প্রচ্ছদ
  3. রাখাইনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বর্বরতা : গুলি খাও, না হয় আগুনে পুড়ে মরো

রাখাইনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বর্বরতা : গুলি খাও, না হয় আগুনে পুড়ে মরো


প্রকাশিত হয়েছে : ৩১ আগস্ট ২০১৭

দেশ ডেস্ক, ৩১ আগস্ট : ইন্টারনেট জগতে নানা ছবি ঘুরে বেড়াচ্ছে। এবং এই ঘুরে বেড়ানো নতুন কিছু নয়। কারোরই রেহাই মেলেনি। গর্ভবতী মা। মাতৃগর্ভের শিশু। গুলি খাও, না হয় আগুনে পুড়ে মরো। ধর্ষণ যেন মামুলি ব্যাপার। বাঁচতে চাইলে পালাও। এবার অবশ্য পালাতে গেলেও গুলির মুখে পড়তে হচ্ছে। এই লেখা শুরুর সঙ্গেই সঙ্গেই নজরে এলো হিউম্যান রাইটস ওয়াচের রিপোর্ট। স্যাটেলাইটে পাওয়া ছবিতে ধরা পড়েছে রাখাইনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বর্বরতার চি?। গ্রামের পর গ্রাম পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। এক শ’ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে একই দৃশ্য। গত বছরও গ্রামের পর গ্রামে আগুন দিয়েছিল সরকারি বাহিনী। এবারের ঘটনা আরো ভয়াবহ।

মানবাধিকার শব্দ নিয়ে অনেক বাকওয়াজ। এটা চলে আসছে দীর্ঘদিন ধরেই। যদিও দুনিয়ায় এর বেঁচে থাকা নিয়ে অনেকেই সন্দিহান। মিয়ানমারের দৃশ্যপটের দিকে তাকালে সে সন্দেহ অবশ্য অনেকটা কেটে যায়। নাফ নদে শুধু জীবিত, মৃত মানুষই ঘুরে বেড়াচ্ছে না, সঙ্গে সঙ্গে ঘুরে বেড়াচ্ছে মানবতা। তবে এই দৃশ্য এর চেয়েও বেশি মৃত্যু ঘোষণা করেছে এক নারীকে দেয়া নোবেল শান্তি পুরস্কারের। দুই যুগের কিছু বেশি সময় আগে অং সান সুচিকে যখন শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেয়া হয় তখন দৃশ্যপট কেমনই না ছিল। সাধারণ এক গৃহবধূ থেকে রাজনীতিবিদ, পরে গণতন্ত্র আর মানবাধিকারের জন্য বিরামহীন লড়াই। কত যন্ত্রণা আর নিপীড়নই না সইতে হয়েছে তাকে। নিজ ঘরে বন্দি ছিলেন দিনের পর দিন। কেড়ে নেয়া হয়েছিল তার সব অধিকার। সেসময় সুচির পক্ষে দাঁড়িয়েছিল সারা দুনিয়া। সোচ্চার ছিলাম আমরাও। নোবেল শান্তি পুরস্কার নিয়ে বিতর্ক বহুদিনের। এ পুরস্কারে রাজনীতিকরণ হয়ে গেছে তাও অনেকদিন হলো। কিন্তু সুচির নোবেল নিয়ে তেমন কোনো প্রশ্ন তখনই ওঠেনি। কিন্তু হায় ক্ষমতা। ক্ষমতায় যাওয়ার পরই বদলে গেলেন শান্তি কন্যা। দেখা গেলো তার নতুন রূপ। ভয়ঙ্কর। তার সরকারের সেনাবাহিনীর নির্মম নির্যাতন যে তিনি শুধু চোখ বুজে দেখলেন তাই নয়। তিনি তা অনুমোদন করলেন প্রকাশ্যে। তিনি মুখ খুললেন। তার এই মুখ খোলা হলো গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে, মানবাধিকারের বিরুদ্ধে। মানবতাবাদী মানুষ ধিক্কার জানালেন তাকে। কিন্তু তাতে কী? তার চাই রক্ত আর ক্ষমতা। হাতে রক্তের দাগ নিয়ে তিনি বললেন, রোহিঙ্গারাই রোহিঙ্গাদের হত্যা করছে। সেখানে কোনো জাতিগত নিধন হয়নি। মুনীর চৌধুরী লিখে গেছেন, মানুষ মরে গেলে পচে যায়। বেঁচে থাকলে বদলায়, কারণে-অকারণে বদলায়। কিন্তু কেউ কেউ যে, বেঁচে থেকেও পচে যায় অং সান সুচি তার সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ।

গত বছরই দাবিটি উঠেছিল। হাজার হাজার মানুষ সই করেছিলেন সেই দাবিতে। নোবেল কমিটির প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছিল অং সান সুচির নোবেল শান্তি পুরস্কার যেন প্রত্যাহার করা হয়। কারণ তার এই পুরস্কার শান্তিকামী মানুষের জন্য অবমাননা। সে দাবির প্রতি এখনো পর্যন্ত সাড়া দেয়নি নোবেল কমিটি। হয়তোবা এর কোনো নজির নেই বলেই তারা নীরবতা পালন করছেন। কিন্তু পৃথিবীতে নজিরবিহীন অনেক ঘটনাই ঘটছে। অং সান সুচি যে এতটা বদলে গেছেন তা কি নজিরবিহীন নয়। মানবাধিকারের প্রতি, মানুষের প্রতি যে বর্বর আচরণ তার, তা শুধু তাকে নয়, লজ্জায় ফেলেছে নোবেল শান্তি পুরস্কারটিকেও। বিতর্ক সত্ত্বেও এ পুরস্কারের যেটুকু মর্যাদা রয়েছে তাও কলঙ্কিত হচ্ছে সুচির কারণে। তার হাতে এ পুরস্কার বড্ড বেমানান। সুচির কাছ থেকে এই পুরস্কার কেড়ে নেয়া প্রয়োজন। সেটা শুধু পুরস্কারটির মর্যাদা রক্ষার জন্যই নয়, বরং যারা এ পুরস্কার পেয়েছেন বা ভবিষ্যতে যারা পাবেন তারা যেন মানবতার আকাাখার সঙ্গে প্রতারণা করার আগে অন্তত ভাবেন সেজন্য হলেও এ সিদ্ধান্ত নেয়া প্রয়োজন।

ইন্টারনেট জগতে ভেসে বেড়ানো ছবির কথা আগেই বলেছি। বহু ছবি। হত্যা, ধর্ষণের শিকার লাশের বীভৎস ছবি। আহত মানুষের আর্তনাদ। ফেসবুকের দেয়ালে দেয়ালে ঘুরে বেড়াচ্ছে নিহত শিশুর লাশের ছবি। আশ্রয়ের খোঁজে পানিতে ভেসে বেড়াচ্ছে মানুষ। যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কথা বলা হয়, তারা কি নিজেদের দায়িত্ব পালন করছেন। মিয়ানমারের কথিত গণতন্ত্রের নেত্রীর ওপর তারা কি কোনো চাপ প্রয়োগ করছেন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তারা নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছেন। নির্যাতিতদের ধর্ম পরিচয় কী মুখ্য হয়ে উঠছে। জাতিসংঘ অবশ্য সার্টিফিকেট দিয়েই তাদের কাজ অনেকটা সেরেছে। রোহিঙ্গারা পৃথিবীর সবচেয়ে নিপীড়িত জাতি এ সার্টিফিকেট দেয়া কম কিসে। আনান কমিশনও কিছু সুপারিশ করেছে। সুপারিশেই সার। কিন্তু পরিস্থিতি কিছুই বদলায় নি। সুপারিশের পরপরই উপলক্ষকে উসিলা বানিয়ে রোহিঙ্গাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। নির্মম নিষ্ঠুর নির্যাতনের পথই বেঁচে নিয়েছে তারা। এই প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘের পাশাপাশি মুসলিম বিশ্বের দেশগুলোও পরিচয় দিয়েছে নিদারুণ ব্যর্থতার। তাদের সব সামরিক জোট যেন কেবল নিজ স্বার্থ রক্ষায়। আর এসব দেশের নেতাদের বেশি আনাগোনা অবকাশ কেন্দ্রে। রোহিঙ্গা মুসলিমরা থাকুক নদীতে। আর বিশ্ব নেতারা থাকুক অবকাশ কেন্দ্রে। এ এক চমৎকার দৃশ্য।

 

প্রচ্ছদ এর আরও খবর
অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশ ইউকের নৈশভোজ ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা

অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশ ইউকের নৈশভোজ ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা

লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের সদস্য মিছবাহ জামালের মা হুসনে আরা বেগমের ইন্তেকাল : ক্লাব নেতৃবৃন্দের শোক

লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের সদস্য মিছবাহ জামালের মা হুসনে আরা বেগমের ইন্তেকাল : ক্লাব নেতৃবৃন্দের শোক

Issue 28. Year 12. 10-16 Oct.2025

Issue 28. Year 12. 10-16 Oct.2025

লন্ডনে ‘ই-ইমামস’ ওয়েবসাইটের আনুষ্ঠানিক যাত্রা : ইসলামি সেক্টরের চাকরি প্রার্থীদের জন্য সুখবর

লন্ডনে ‘ই-ইমামস’ ওয়েবসাইটের আনুষ্ঠানিক যাত্রা : ইসলামি সেক্টরের চাকরি প্রার্থীদের জন্য সুখবর

আনন্দ-উচ্ছ্বাসে শেষ হলো লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৫ : ওয়ানবাংলা চ্যাম্পিয়ন, চ্যানেল এস রানার আপ

আনন্দ-উচ্ছ্বাসে শেষ হলো লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৫ : ওয়ানবাংলা চ্যাম্পিয়ন, চ্যানেল এস রানার আপ

ইস্ট হ্যান্ডস ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট রেকর্ড অংশগ্রহণের মাধ্যমে সফলভাবে সমাপ্ত

ইস্ট হ্যান্ডস ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট রেকর্ড অংশগ্রহণের মাধ্যমে সফলভাবে সমাপ্ত

টাওয়ার হ্যামলেটসে শিশুদের জন্য উচ্চাকাঙ্ক্ষী আর্লি হেল্প স্ট্র্যাটেজি চালু : গর্ভাবস্থা থেকে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া পর্যন্ত পরিবারকে সহায়তা

টাওয়ার হ্যামলেটসে শিশুদের জন্য উচ্চাকাঙ্ক্ষী আর্লি হেল্প স্ট্র্যাটেজি চালু : গর্ভাবস্থা থেকে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া পর্যন্ত পরিবারকে সহায়তা

শাহেদ রাহমান সম্পাদিত ম্যাগাজিন ও কাব্যসংকলন প্রকাশ

শাহেদ রাহমান সম্পাদিত ম্যাগাজিন ও কাব্যসংকলন প্রকাশ

এমসিএর দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন সম্পন্ন

এমসিএর দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন সম্পন্ন

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস যুক্তরাজ্যের লীডস ও ব্রাডফোর্ড শাখার নতুন কমিটি গঠন

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস যুক্তরাজ্যের লীডস ও ব্রাডফোর্ড শাখার নতুন কমিটি গঠন

To place an advert here,
Please call on 020 3540 0942

Editor: Taysir Mahmud

Weekly Desh : 53A Mile End Road, London E1 4TT,
Contact us: 020 3540 0942, Mobile: 07940 782 876
Email: info@weeklydesh.co.uk (News)
Email: advert@weeklydesh.co.uk (Advertisement)
Email: editor@weeklydesh.co.uk (Editorial inquiry)

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh

Go to top