|
  • Media Packs
  • Our Team
  • Contact Us
logo

  • ইউকে
  • কমিউনিটি
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্বজুড়ে
  • সিলেট
  • মুখোমুখি
  • মুক্তমত
  • ইসলাম
  • সাহিত্য
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রিন্ট ভার্সন
  • English
  • আর্কাইভ
  • ইউকে
  • কমিউনিটি
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্বজুড়ে
  • সিলেট
  • মুখোমুখি
  • মুক্তমত
  • ইসলাম
  • সাহিত্য
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রিন্ট ভার্সন
  • English
  • আর্কাইভ
  1. প্রচ্ছদ
  2. প্রচ্ছদ
  3. ধর্ষক মিজানুল পুলিশ নয়, ‘বিকারগ্রস্ত’ পুরুষ

ধর্ষক মিজানুল পুলিশ নয়, ‘বিকারগ্রস্ত’ পুরুষ


প্রকাশিত হয়েছে : ২৬ এপ্রিল ২০১৭

তবে কী এই-ই সত্য, নারীর না মরে মুক্তি নেই- অনেককাল আগে পড়া এই লাইনটি আজ আবার মনে পড়ছে। মনে পড়ছে নারী পুলিশ কনস্টেবল হালিমা বেগমের আত্মহত্যায়। হালিমা ময়মনসিংহের গৌরীপুর থানায় চাকরি করতো। থাকতো ব্যারাকে। একরাতে সাব ইন্সপেক্টর মিজানুল তাকে ক্ষতি করবার ভয় দেখিয়ে, হুমকি দিয়ে, জোর করে ধর্ষণ করে ব্যারাকেই।

হালিমা ওসির কাছে বিচার চায়, লিখিত অভিযোগ করে। ওসি তা আমলে নেন না, গ্রহণ করেন না। অভিযোগ পড়ে থাকে অভিযোগের মতো। অসহায় হালিমা নিজের শরীরে আগুন দেয়- লজ্জায়, ঘৃণায়, ক্ষোভে, ক্রোধে। হালিমা মারা যায়। ঘটনাটি ২ এপ্রিলের। তবে ধর্ষণের অসভ্যতাটি আরো আগের, ১৭ মার্চে ঘটে। হালিমা তার এই ঘটনার সবই লিখে গেছেন তার ব্যক্তিগত ডায়েরিতে। লিখেছেন ‘আমার মরে যাওয়ার একমাত্র কারণ এসআই মোহাম্মদ মিজানুল ইসলাম আমাকে ধর্ষণ করেন। ১৭/৩/১৭ ইং রাত ২.০০ ঘটিকায়। আমার অভিযোগ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গ্রহণ করে না।’

ব্যারাকের নারী পুলিশ কনস্টেবল হালিমার ধর্ষণ হবার এই ঘটনা জানতো অনেকেই। হাসাহাসি, তামাশা করতো। একদিকে জোরপূবর্ক ধর্ষিত হওয়া, অন্যদিকে বিচার তো দূরের কথা, অভিযোগের সুযোগই না হওয়া হালিমাকে বিপর্যস্থ করে তোলে। এ কোন অন্যায়, অবিচার, অসভ্যতা, নিপীড়ন, পাশবিকতার মধ্যে দাঁড়িয়ে আছেন হালিমা! হালিমা চিৎকার করে সত্যটি বলতে চায় কিন্তু পারে না, দেয় না তাকে সত্যটি প্রকাশ করতে। গলা চেপে ধরে- তথাকথিত প্রশাসন, বড় স্যার, ওসি। হালিমা নিজের জীবন দিয়ে সত্যটি প্রকাশ করে।

আর সবার মতো নারী পুলিশ সদস্য হালিমাও বাঁচতে চেয়েছিল। স্বপ্ন ছিল, জীবনের স্বপ্ন। হয়তো কনস্টেবল থেকে এএসআই হবে। জীবন উন্নত হবে। আর্থিক সাচ্ছন্দ্য আসবে। বাবাকে, ছোট ভাইকে টাকা পাঠাবে। কিন্তু নিজের পুলিশ বিভাগের, অন্য আরেক পুলিশে ধর্ষিত হবে, হয়তো দুঃস্বপ্ন ছিল। অভিযোগই যেখানে নেয়া হয়নি, বিচার তো অসম্ভব। হালিমা চাইলেও এই পুলিশতন্ত্র, পুরুষতন্ত্রের বিরুদ্ধে কিছুই করতে পারবে না জানে। বরং মেয়েটা নষ্ট, বাজে মেয়ে, চরিত্রহীন মেয়ে- এসব তাকে হামেশাই শুনতে হতো। হালিমাতো এই সমাজেরই, তারতো চারপাশটা ভালো করে দেখা, জানা। তাই সে নিজের মৃত্যুকেই ‘প্রমাণ’ হিসেবে রেখে গেল।

যে সাব ইন্সপেক্টর মিজানুল ইসলাম ধর্ষণ করেছে হালিমাকে, সে যেমন অপরাধী, তেমনি ওসি দেলোয়ার আহম্মেদ যিনি অভিযোগ নেননি, কম নয় তার অপরাধও। ধর্ষণ করা যেমন অপরাধ, তেমননি ধর্ষণের বিচার হতে না দেয়া তো ধর্ষণকে পৃষ্টপোষকতাই।
ওসি দেলোয়ার, নারী কনস্টেবল হালিমার অভিযোগটি কেন নেননি? উনি কী তবে ধর্ষণ সমর্থন করেন? নাকি ধর্ষণকে পুরুষের এক ধরনের ‘যোগ্যতা’ ভাবেন? নাকি ভাবেন, ধর্ষণ এ আর এমন কী? একটা মেয়েই তো ধর্ষিত হয়েছে, ধর্ষণতো মেয়েরাই হবে- স্বাভাবিক। তা না হলে কেন, কি কারণে হালিমার অভিযোগটি নেনটি।

একটা বিষয় বেশ প্রচলিত, পুলিশ বিভাগে কেউ অন্যায়, অপরাধ করলে অনেক সময় দেখা যায়, পুলিশের বড় কর্মকর্তারা প্রথমে বিষয়টিকে বেমালুম অস্বীকার করেন, পরে স্বীকার করে চেষ্টা করেন ধামাচাপা দেয়ার। বরং অপরাধীর অপরাধ শনাক্ত করে, শাস্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করে, কিভাবে তাকে‘সুস্থ’ করা যায় সেই চেষ্টাটি করা উচিত। তা না করে তার অপরাধ আড়াল করলে সে তো ‘অসুস্থ’ই থেকে যাবে। পুলিশের অনেক অপরাধের ঘটনায়ই দেখা যায়, বদলি বা সাময়িক বরখাস্তকে ‘সল্যুশন’ মনে করা হয়। কিন্তু এই ‘সফট প্যারাসিটামলে’ কী আর রোগ সারে!

সে অন্যায় করে তার পরিচয় সে অপরাধী। সে আর তখন পুলিশ নয়। পুলিশ তো পজিটিভ চরিত্র। যে সত্য, যে অন্যায়ের প্রতিবাদ করে, অন্যায়ের প্রতিরোধ করে, অপরাধকে দমন করে যে, সে পুলিশ। অপরাধী কখনো পুলিশ নয়। ব্যক্তির দায় প্রতিষ্ঠান কেন নিবে? ব্যক্তির অন্যায়, অপরাধ, দুঃশ্চরিত্রতা, দুর্বৃত্ততা- একান্ত ব্যক্তিরই। কেন অন্যায়কারীকে, অপরাধীকে বাঁচাতে হবে?

যে সাব ইন্সপেক্টর মিজানুল, নারী পুলিশ কনস্টেবল হালিমাকে ধর্ষণ করেছে, সে আসলে বিকৃতকাম, বিকারগ্রস্থ। ধর্ষণ কোন স্বাভাবিক যৌন আচরণ নয়। ধর্ষণে ব্যক্তি যে খুব যৌনসুখ বোধ করে তা নয়। ধর্ষণ ধস্তাধস্তি, জোরাজুড়ি, অন্যের অনিচ্ছা স্বত্ত্বেও জোরপূর্বক রতিক্রিয়া। মিজানুলের আনন্দ যৌনতায় নয়, জবরদস্তিতে। সে চুমু উপভোগ করে না, করে কামড়। শৃঙ্গারের চেয়ে তার কাছে ভাল লাগে আর্তনাদ, চিৎকার। সেক্সুয়াল পারভার্ট সে।

যারা মিজানুলকে কোন না কোনভাবে সমর্থন করতে চাইছেন, দোষ-অন্যায়-অপরাধ- আড়াল করতে চাইছেন, ভুল করছেন তারা। কেননা, ধর্ষক মিজানুল পুলিশ নয়, ‘বিকারগ্রস্ত’ পুরুষ।

লেখক : সম্পাদক, আজ সারাবেলা। ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, মিডিয়াওয়াচ। পরিচালক, বাংলাদেশ সেন্ট্রার ফর ডেভলপমেন্ট জার্নালিজম এন্ড কমিউনিকেশন। সদস্য, ফেমিনিস্ট ডটকম, যুক্তরাষ্ট্র।

 

প্রচ্ছদ এর আরও খবর
অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশ ইউকের নৈশভোজ ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা

অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশ ইউকের নৈশভোজ ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা

লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের সদস্য মিছবাহ জামালের মা হুসনে আরা বেগমের ইন্তেকাল : ক্লাব নেতৃবৃন্দের শোক

লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের সদস্য মিছবাহ জামালের মা হুসনে আরা বেগমের ইন্তেকাল : ক্লাব নেতৃবৃন্দের শোক

Issue 28. Year 12. 10-16 Oct.2025

Issue 28. Year 12. 10-16 Oct.2025

লন্ডনে ‘ই-ইমামস’ ওয়েবসাইটের আনুষ্ঠানিক যাত্রা : ইসলামি সেক্টরের চাকরি প্রার্থীদের জন্য সুখবর

লন্ডনে ‘ই-ইমামস’ ওয়েবসাইটের আনুষ্ঠানিক যাত্রা : ইসলামি সেক্টরের চাকরি প্রার্থীদের জন্য সুখবর

আনন্দ-উচ্ছ্বাসে শেষ হলো লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৫ : ওয়ানবাংলা চ্যাম্পিয়ন, চ্যানেল এস রানার আপ

আনন্দ-উচ্ছ্বাসে শেষ হলো লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৫ : ওয়ানবাংলা চ্যাম্পিয়ন, চ্যানেল এস রানার আপ

ইস্ট হ্যান্ডস ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট রেকর্ড অংশগ্রহণের মাধ্যমে সফলভাবে সমাপ্ত

ইস্ট হ্যান্ডস ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট রেকর্ড অংশগ্রহণের মাধ্যমে সফলভাবে সমাপ্ত

টাওয়ার হ্যামলেটসে শিশুদের জন্য উচ্চাকাঙ্ক্ষী আর্লি হেল্প স্ট্র্যাটেজি চালু : গর্ভাবস্থা থেকে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া পর্যন্ত পরিবারকে সহায়তা

টাওয়ার হ্যামলেটসে শিশুদের জন্য উচ্চাকাঙ্ক্ষী আর্লি হেল্প স্ট্র্যাটেজি চালু : গর্ভাবস্থা থেকে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া পর্যন্ত পরিবারকে সহায়তা

শাহেদ রাহমান সম্পাদিত ম্যাগাজিন ও কাব্যসংকলন প্রকাশ

শাহেদ রাহমান সম্পাদিত ম্যাগাজিন ও কাব্যসংকলন প্রকাশ

এমসিএর দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন সম্পন্ন

এমসিএর দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন সম্পন্ন

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস যুক্তরাজ্যের লীডস ও ব্রাডফোর্ড শাখার নতুন কমিটি গঠন

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস যুক্তরাজ্যের লীডস ও ব্রাডফোর্ড শাখার নতুন কমিটি গঠন

To place an advert here,
Please call on 020 3540 0942

Editor: Taysir Mahmud

Weekly Desh : 53A Mile End Road, London E1 4TT,
Contact us: 020 3540 0942, Mobile: 07940 782 876
Email: info@weeklydesh.co.uk (News)
Email: advert@weeklydesh.co.uk (Advertisement)
Email: editor@weeklydesh.co.uk (Editorial inquiry)

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh

Go to top